সাম্প্রতিক তীব্র ভূমিকম্পের কারণে আতঙ্কে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের (ডিপিআই) শিক্ষার্থীরা তাদের জরাজীর্ণ ছাত্রাবাস ছেড়ে রাস্তায় রাত কাটিয়েছেন। কর্তৃপক্ষের নির্দেশে চারটি ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাস খালি করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
* কারণ: দুই দিনে চার দফা ভূমিকম্পে জরাজীর্ণ ‘লতিফ ছাত্রাবাস’ ধসে পড়ার শঙ্কায় শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
* স্থান: শনিবার (২২ নভেম্বর) রাতে তারা দলবেঁধে ছাত্রাবাস ছেড়ে এর সামনে তেজগাঁও শিল্প এলাকার সড়কে ‘বিছানা পেতে’ অবস্থান নেন।
* দাবি: আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জরুরি ভিত্তিতে নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা বা নতুন হল নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।:
রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিপিআই কর্তৃপক্ষ নোটিস দিয়ে জরুরি নির্দেশনা জারি করে:
* ছাত্রাবাস খালি: লতিফ ছাত্রাবাস (পূর্ব ও পশ্চিম শাখা), ড. কাজী মোতাহার হোসেন ছাত্রাবাস, জহির রায়হান ছাত্রাবাস এবং ছাত্রীনিবাস খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
* স্থগিত: পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত মিড টার্ম পরীক্ষা ও ক্লাস স্থগিত রাখা হয়ছে।
* লতিফ ছাত্রাবাসের অবস্থা: ৭০ থেকে ৮০ বছরের পুরনো এই ছাত্রাবাসে আগে থেকেই ফাটল ছিল। শুক্র ও শনিবারের ভূমিকম্পের পর নতুন ফাটল দেখা দিয়েছে এবং পুরনো ফাটলগুলো বেড়ে গেছে।
* শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ: শনিবার পরিদর্শনের পর অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম সাফিন হাসান নিশ্চিত করেছেন যে লতিফ হলটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের চতুর্থ তলার কলাম, ছাদের বিমের বিভিন্ন অংশে ফাটল এবং ছাদ থেকে প্লাস্টারসহ কংক্রিট খসে পড়েছে।
* আগের সুপারিশ: গত জুনেও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর হলটির চতুর্থ তলা ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে তা সংস্কারের সুপারিশ করেছিল, যা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।
ঢাকা পলিটেকনিকের ছাত্রাবাসে ফাটল: শিক্ষার্থীরা চাদর-বালিশ নিয়ে সড়কে

