নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচী অনুযায়ী নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রাথমিক ধাপগুলো ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার চূড়ান্ত সময়সীমা।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, বিভিন্ন আসনের মধ্যে বিশেষ করে ৬টি আসনে মোট ৭১ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এখন সবার নজর নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার দিকে।
নির্বাচনী কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহ:
* বাছাই প্রক্রিয়া: জমা পড়া মনোনয়নপত্রগুলোর যাচাই-বাছাই কার্যক্রম ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে চলবে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।
* প্রত্যাহারের সুযোগ: কোনো প্রার্থী যদি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়াতে চান, তবে তাকে ২০ জানুয়ারির মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে হবে।
* প্রতীক বরাদ্দ: প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি।
* প্রচারণার সময়কাল: প্রতীক পাওয়ার পরদিন অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা পুরোদমে প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। এই প্রচারণার সুযোগ থাকবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচনের পাশাপাশি একটি বিশেষ গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। ফলে ভোটার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে কমিশন সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালট যুদ্ধ: শুরু হচ্ছে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই

