যশোরে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট-এ আক্রান্ত রোগীদের জীবন বাঁচাতে সাধারণ মানুষকে প্রশিক্ষণ দিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘সিপিআর’ (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগ এবং হার্ট ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের চতুর্থ তলায় এই আয়োজন করা হয়।
কর্মশালার উদ্দেশ্য: সচেতনতাই জীবনরক্ষার চাবিকাঠি
কর্মশালায় বক্তারা গুরুত্বারোপ করেন যে, বিশ্বে অসংখ্য মানুষ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। সামান্য সচেতনতা ও প্রাথমিক জ্ঞানের মাধ্যমে, অর্থাৎ সিপিআর প্রয়োগের মাধ্যমে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাঁচানো সম্ভব। এই লক্ষ্যেই সাধারণ মানুষকে সিপিআর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে।
আয়োজনের প্রধান ব্যক্তিবর্গ
যশোর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম আহসান হাবীব কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সিনিয়র কনসালটেন্ট প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ বদিউজ্জামান।
বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন:
* যশোর মেডিকেল কলেজের কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. খন্দকার রফিকুজ্জামান
* যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. আব্দুল কাদের
* আইসিইউ ইনচার্জ ডা. রবিউল ইসলাম তুহিন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন যশোর হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রফেসর ডা. এম এ রশিদ। প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. প্রদীপ কুমার সরকার। সার্বিক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. তৌহিদুল ইসলাম।
এই কর্মশালায় গণমাধ্যম কর্মী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মোট ২৬ জনকে সিপিআর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ শেষে আমন্ত্রিত অতিথিরা সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করা ব্যক্তিদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেন।

