স্বামী জীবিত থাকতেই একটা ছাবড়া ঘরে বসবাস করতাম। পুত্র সন্তান না থাকায় দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কোনভাবে চলতো। হঠাৎ স্বামী ব্রেইন স্ট্রোকে পরলোকগমন করায় চোখে অন্ধকার নেমে আসে। ছাবড়া ঘরে একা থাকতে ভয় করতো। দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন ঘর করে দেওয়ায় সেই চিন্তার অবসান হয়েছে। নতুন ঘরে পেয়ে উচ্ছ্বসিত দুর্গারানী রায় এভাবেই অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
অস্বচ্ছল বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মিত নতুন ঘর পাওয়া দুর্গারানী রায় যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়নের পরলোকগত বীরমুক্তিযোদ্ধা নিমাই চন্দ্র রায়ের স্ত্রী। তার দুই মেয়ে সাধনা রানী রায় ও শ্যামলী রানী রায়।
বুধবার গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মিত ৫ হাজার ‘বীর নিবাস’র হস্তান্তর উদ্বোধন করেন। মণিরামপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বড় মেয়ে সাধনা রানী রায়কে সাথে নিয়ে আসেন দুর্গারানী রায়।
দুর্গারানী রায় জানান, ২০১৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে পরলোকগমন করেন তার স্বামী বীরমুক্তিযোদ্ধা নিমাই চন্দ্র রায়। স্বামী মারা যাওয়ার পর পুত্র সন্তান না থাকায় ছাবড়া ঘরে বাস করা নিয়ে না
অস্বচ্ছল বীরমুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মিত নতুন ঘর পাওয়া দুর্গারানী রায় যশোরের মণিরামপুর উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়নের পরলোকগত বীরমুক্তিযোদ্ধা নিমাই চন্দ্র রায়ের স্ত্রী। তার দুই মেয়ে সাধনা রানী রায় ও শ্যামলী রানী রায়।
বুধবার গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মিত ৫ হাজার ‘বীর নিবাস’র হস্তান্তর উদ্বোধন করেন। মণিরামপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বড় মেয়ে সাধনা রানী রায়কে সাথে নিয়ে আসেন দুর্গারানী রায়।
দুর্গারানী রায় জানান, ২০১৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে পরলোকগমন করেন তার স্বামী বীরমুক্তিযোদ্ধা নিমাই চন্দ্র রায়। স্বামী মারা যাওয়ার পর পুত্র সন্তান না থাকায় ছাবড়া ঘরে বাস করা নিয়ে না

