যশোরে জামায়াত আমিরের নির্বাচনী অঙ্গীকার: ‘ক্ষমতায় গেলে যশোর হবে সিটি কর্পোরেশন’

আরো পড়ুন


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশব্যাপী প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ সকালে যশোরের ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে এক বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান একগুচ্ছ নির্বাচনী অঙ্গীকার ঘোষণা করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জনগণের ভোটে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে একটি ইনসাফ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ করা হবে।

যশোরকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার দীর্ঘদিনের জনদাবিকে সমর্থন জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আল্লাহর রহমতে আমরা দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে যশোর শহরকে পূর্ণাঙ্গ সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হবে। এটি কোনো করুণা নয়, বরং যশোরবাসীর ন্যায্য অধিকার।”
উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি দেন:
* স্বাস্থ্যসেবা: যশোরে একটি আধুনিক মেডিকেল কলেজ স্থাপন এবং ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের মানোন্নয়ন।
* জলাবদ্ধতা নিরসন: অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান।
* অবকাঠামো: ভৌত অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন।

দলের নির্বাচনী প্রতীক সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে আমির বলেন, “দাঁড়িপাল্লা হলো ইনসাফ বা ন্যায়বিচারের প্রতীক। ইনশাআল্লাহ, এই পাল্লার মাপে কোনো কমবেশি হবে না। প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব।”

উপস্থিত জনসমুদ্রের উদ্দেশ্যে তিনি আসন্ন গণভোটে নির্ভয়ে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এক জোরালো স্লোগান দেন। তিনি বলেন, “হ্যাঁ মানে আজাদী (মুক্তি), আর না মানে গোলামী।” সকল ভয়ভীতি উপেক্ষা করে দেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমেই প্রকৃত মুক্তি আসবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে ডা. শফিকুর রহমান যশোরে ১০-দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীদের মঞ্চে উপস্থিত জনতার সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। দেশের টেকসই উন্নয়ন ও ইনসাফ কায়েমের লক্ষ্যে জোটের প্রার্থীদের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ