যশোরে একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন জামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে জামায়াত ইসলামীর নারী কর্মীদের হেনস্তা, বিএডিসির সেচ পাম্প দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ এবং মাদক সেবনের ছবি ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে বিএডিসির সেচ পাম্প দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ডুমদিয়া গ্রামের জামির নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৪৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী জামির জানান, টাকা ফেরত চাইলে তাকে উল্টো হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া এক গৃহকর্মীর পারিবারিক বিরোধ মেটানোর নাম করে ৬ হাজার টাকা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাসান আলী। তিনি জানান:
* জামাল জামায়াতের মহিলা বিভাগের কর্মীদের পথরোধ করে হেনস্তা করেছেন।
* নারীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জোরপূর্বক কেড়ে নিয়েছেন।
ইয়াবা সেবনের ছবি ও অভিযুক্তের বক্তব্য
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জামালের ইয়াবা সেবনের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। তবে জামাল হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মাদক সেবনের ছবিটিকে তিনি ‘এআই প্রযুক্তি’ দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেন। অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে তিনি বলেন, “টাকা নিয়েছিলাম ঠিকই, তবে তা ফেরত দিয়ে দিয়েছি।”
স্থানীয়দের দাবি, জামাল একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের নাম ব্যবহার করায় কেউ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাহস পাচ্ছে না। ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।?

