ডেস্ক রিপোর্ট: ঘোষনা থাকলেও ১৩ জানুয়ারির মধ্যে যশোরের শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাবে না নতুন পাঠ্যপুস্তক। বই ছাপানো ও সঠিক সময়ে পরিবহন না পাওয়ায় বিলম্ব হচ্ছে নতুন বই পেতে। তবে চলতি মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে শতভাগ পৌঁছে যাবে বাকি সব বই; এমনটাই জানিয়েছের জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক কর্মকর্তারা।
২০২২ সালে চাহিদা অনুযায়ি যশোরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেনীর বই শতভাগ শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছিয়েছে। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাহিদা অনুযায়ি বই বাকি আছে প্রায় ১১শতংশ করে, পঞ্চম শ্রেণীতে বই বাকি আছে প্রায় ১০শতাংশ। অপরদিকে মাধ্যমিকে বই চাহিদা তুলনায় ৬৯ শতাংশ, দাখিলে বই চাহিদা আছে এখনও ৬৫ শতাংশ ও এবতেদায়ীতে বই চাহিদা আছে আর ৫ শতাংশ।
অন্যদিকে জেলার মাধ্যমিকের বই চাহিদা রয়েছে ২৮ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫শ ৫৭ পিচ বই। সেখানে জেলায় বই এসেছে ৮ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫শ’ ৮৫ পিচ। দাখিলে বইয়ের চাহিদা ৮ লক্ষ ৩৫ হাজার ২শ’ ৩২ পিচ। সেখানে বই এসেছে ২ লক্ষ ৮৯ হাজার ৭শ’ ১২ পিচ। এবতেদায়ীর চাহিদা রয়েছে ৪ লক্ষ ৬৯ হাজার ৬শ’ ৮৯ পিচ। সেখানে বই দিতে পারেছে ৪ লক্ষ ৪৪ হাজার ৫শ’ ৪২ পিচ।
অপরদিকে, এসএসসি ভোকেশনাল, দাখিল ভোকেশনাল ও ইংলিশ ভার্সনের চাহিদানুপাতে শত ভাগ বই বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। এসএসসি ভোকেশনাল বইয়ের চাহিদা ছিলো ৮ লক্ষ ২হাজার ২শ’ ৩৫ পিচ, দাখিল ভোকেশনালে বইয়ের চাহিদা ছিলো ১ হাজার ৬শ’ ৫৫ পিচ ও ইংলিশ ভার্সন বই চাহিদা ছিলো ১০হাজার ৪শ’ ২১ পিচ।
যশোর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম গোলাম আযম জাগো বাংলাদেশকে জানান, ‘বই ছাপানো দেড়ি হওয়ার জন্য বই পেতে বিলম্ব হচ্ছে। একই সাথে পরিবহন সময়ে মতো পাওয়ায় যাচ্ছে না। তবে আমরা আশাবাদি চলতি মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যপুস্তক পৌঁছানো সম্ভব হবে। ইতিমধ্যে চাহিদা অনুপাতে এসএসসি ভোকেশনাল, দাখিল ভোকেশনাল ও ইংলিশ ভার্সনের শত ভাগ বই বিতরণ সম্পন্ন করেছি।’
জাগোবাংলাদেশ/এমআই

