আর মাত্র দুই দিন পরই বিদায় নেবে বাংলা সাল ১৪২৯। শুরু হবে নতুনবর্ষ ১৪৩০। পুরাতনকে বিদায় দিয়ে নববর্ষের প্রথমদিন বরণ করে নিতে প্রস্তুত উদীচী যশোর।
মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে উদীচী যশোরের কার্যালয়ে উদীচীর বর্ষবরণ উৎসবে প্রস্তুতি সম্পর্কে এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উদীচী সাধারণ সম্পাদক ও বর্ষবরণ উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব সাজ্জাদুর রহমান খান বিপ্লব বলেন, পুরাতন দিনের অন্ধকারকে পেছনে ফেলে বৈশাখের পূণ্য প্রভাতে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা সাম্প্রদায়ীকতা, মৌলবাদ, কণ্ঠরোধ করা নিপীড়নমূলক আইন বিচারহীনতা এবং নারী বিদ্বেষসহ সকল অপশক্তিকে বিনাশ করে রাত ভোর হবার নতুন সূর্যের আলোয় আলোকিতের আহবান জানান।
এদিন ‘নিশি ভোর হলো জাগিয়া’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে বৈশাখের আবাহন পর্ব। তারপর থাকবে চিরায়ত রবিঠাকুরের ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’। এরপর পাঁচ গীতিকবির গান পরিবেশনা করা হবে। এ ছাড়াও শিশুতোষ পরিবেশনা, বাংলা হারানো দিনের গান, জীবনমুখি গান, লোকসংগীত, আধুনিক ও লোকনৃত্য, পর্যায়ক্রমে ভুলুণ্ঠিত গণতন্ত্র, সাম্প্রদায়িকতা ও সামাজিক অসংগতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী গণসংগীত পরিবেশন করা হবে।
তিনি আরো বলেন, স্বেচ্ছাসেবক ও অনুষ্ঠানস্থলের সার্বিক শৃংখলা রক্ষায় গঠিত হয়েছে স্বেচ্ছাসেবক দল। প্রায় ১০০ জন উদ্দীচী কর্মী স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে অনুষ্ঠানস্থলে ছোট ছোট উপদলে ভাগ হয়ে মাঠের সার্বিক শৃংখলা নিশ্চিত করবার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। সেই সাথে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন আইন শৃংখলা বাহিনীর মাধ্যমে মাঠের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতি বছরের মতো এবারো নববর্ষক ঘিরে ডা. রবিউল নববর্ষ পদক-১৪৩০ প্রদান করা হবে। এবারের পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন উদীচী যশোর জেলা সংসদের সহ-সভাপতি এবং কণ্ঠশিল্পী শেখর দেবনাথ।
এছাড়াও বক্তব্যে রাখেন, উদীচী যশোরে সভাপতি বর্ষবরণ উদযাপন পরিষদের সভাপতি তন্দ্রা ভট্টার্চায ও উদীচী যশোরের উপদেষ্টা রোকন-উদ্দ-দৌলা।

