যশোরের বেনাপোল সীমান্তে এক কেজি ১৬৬ গ্রাম (১০০ ভরি) ওজনের ১০ পিস স্বর্ণের বারসহ হাবিবুর রহমান (২৯) ও আক্তারুল ইসলাম (২৫) নামের দুই পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।
বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) এর পুটখালী বিওপি’র একটি টহল দল পুটখালী সিমান্ত এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করে।
এ সময় পাচারকাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করেছে বিজিবি।
আটক হাবিবুর বেনাপোলের খলসী গ্রামের রমজান আলীর ছেলে ও আক্তারুল একই গ্রামের আবু বক্করের ছেলে।
খুলনা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ তানভীর রহমান জানান, খুলনা ব্যাটালিয়ন (২১ বিজিবি) গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে যশোরের পুটখালী সীমান্ত দিয়ে স্বর্ণের একটি চালান অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার হতে পারে।
এমন তথ্যের ভিত্তিতে একটি টহল দল সীমান্ত পিলার ১৭/৭ এস এর ১০২ আর পিলার হতে আনুমানিক সাড়ে চার কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বেনাপোল পোর্ট থানার ইছাপুর খালপাড় জামে মসজিদ এর পার্শ্বে কাঁচা রাস্তার উপর তল্লাশি অভিযান শুরু করে। তল্লাশি অভিযানে বিজিবি টহলদল এক কেজি ১৬৬ গ্রাম (১০০ ভরি) ওজনের মোট ১০টি স্বর্ণের বার ও একটি মোটরসাইকেলসহ দুই পাচারকারীকে আটক করে।
স্বর্ণের বারগুলো আসামীদের পরিহিত জিন্স প্যান্টের সামনের পকেটের ভিতর কস্টেপ দ্বারা পেচানো অবস্থায় অভিনব কায়দায় লুকানো ছিল। যার আনুমানিক সিজার মূল্য ৮৬ লাখ ২০ হাজার টাকা।
তিনি আরো জানান, আটক পাচারকারীরা স্বর্ণের বারগুলো যশোর জেলার বাগআঁচড়া বাজার থেকে জনৈক ব্যক্তির নিকট হতে সংগ্রহ করেছে কিন্তু কার নিকট হতে সংগ্রহ করেছে তার নাম জানে না।
আটককৃত আসামীরা স্বর্ণের বারগুলো পুটখালী সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পাচার করতে চেয়েছিল। আটক আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হবে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, চলতি বছরে খুলনা ব্যাটালিয়নের দায়িত্বাধীন বিজিবি সদস্যরা সীমান্ত এলাকা থেকে সাত বারে নয় জন আসামীসহ সর্বমোট ১৪ কেজি ৭৬ গ্রাম স্বর্ণ আটক করেছে, যার মূল্য- ৯ কোটি ৭২ লাখ ১৯ হাজার ৩৫১ টাকা। সাত বারের মধ্যে গত আগস্ট মাসে চার বার এবং সেপ্টেম্বর মাসে এক বার স্বর্ণ আটক করা হয়েছে।

