নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের চৌগাছার ছারা পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা। ১৩ মার্চ অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনের চুড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণার দিনে এই অভিযোগ করেন তারা। তবে অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক কাজী গোলাম মোস্তফার দাবি, সকল বিধি বিধান মেনেই অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
বিদ্যালয়টি অভিভাবক ভোটার রয়েছে তিনশত জন। ৫৫ জন অভিভাবক স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, চৌগাছা ছারা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে নিয়মিত ম্যানিজং কমিটি গঠন প্রক্রিয়ায় প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তা গোপনীয়ভাবে গত ২ মার্চ স্থানীয় একটি পত্রিকায় নির্বাচনী তফসিল প্রকাশ করেন। ওই পত্রিকাটি বহুল প্রচারিত নয় এবং পত্রিকাটি গত ২ মার্চ চৌগাছায় নিয়মিত পাঠকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়নি। তাছাড়া তফসিল অনুযায়ী শিক্ষার্থী ও অভিভাবক, স্থানীয় জনসাধারণের জ্ঞাতার্থে বহুল প্রচারের জন্য মাইকিং করা হয়নি। এমনকি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের তফসিল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে নোটিশে অবহিত না করে মনোনয়ন জমার পরের দিন তফসিলটি নোটিশ বোর্ডে টানানো হয়। এ বিষয়ে অভিভাবকরা বিদ্যালয়টির বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি এসএম আতিয়ার রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিভাবকদের বলেছেন ‘নিয়মিত ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিষয়ে কোন কিছু তাকে জানানো হয়নি। বরং মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উপবৃত্তি সংক্রান্ত কাগজপত্রের কথা বলে প্রধান শিক্ষক তার কাছ থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছেন।’ এমতাবস্থায় আমরা সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে প্রহসনমূলক নির্বাচন প্রক্রিয়া বাতিল করে পুনঃনির্বাচনী তফসিল ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি।
চৌগাছার পত্রিকা এজেন্ট শফিকুল ইসলাম জানান, যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপনটি প্রতাশের কথা বলা হচ্ছে সেটি ২ মার্চ চৌগাছায় আসেইনি। প্রধান শিক্ষক হয়তবা যশোর থেকে পত্রিকা সংগ্রহ করেছেন। শহরের একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি সংক্রান্ত কোন মাইকিং শোনেননি। চৌগাছা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম মো. রফিকুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে।
জাগো/এমআই

