প্রয়াত সহযোদ্ধার স্মৃতিতে আবেগাপ্লুত অনিন্দ্য ইসলাম অমিত: পথসভায় অশ্রুসিক্ত জনতা

আরো পড়ুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর একটি নাম এবং একরাশ স্মৃতি—যার ভারে থমকে গেল ক্ষুরধার বক্তব্য, ভেঙে পড়ল একজন রাজনীতিকের কণ্ঠ। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে অকালে চলে যাওয়া যুবদল নেতা শরিফুল ইসলামের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জনসম্মুখেই অশ্রুসিক্ত হলেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ (সদর)

বৃহস্পতিবার দুপুরে যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের পাকদিয়া গ্রামে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় এই হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যের অবতারণা হয়। বক্তব্যের মাঝপথে শরিফুল ইসলামের ত্যাগের কথা মনে পড়তেই হঠাৎ স্তব্ধ হয়ে যান অমিত। ঝাপসা হয়ে ওঠে তার চোখ, ভারী হয়ে আসে কণ্ঠস্বর।
মঞ্চের সামনেই তখন বসা ছিলেন শরিফুলের বিধবা স্ত্রী ও তার দুই অবুঝ সন্তান। তাদের দিকে তাকিয়ে অমিত বলেন:
> “শরিফুল শুধু আমার দলীয় সহকর্মী ছিল না, সে ছিল আমার আপন ভাইয়ের মতো। আমরা একসাথে জেল খেটেছি, রাজপথে লড়াই করেছি। আজ সে নেই… রেখে গেছে এই ছোট দুটি সন্তান।”
>

অমিতের কান্নায় সভায় উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝেও শোকের ছায়া নেমে আসে। পুরো সভাস্থলে এক পিনপতন নীরবতা বিরাজ করে। প্রিয় নেতার এমন আবেগপ্রবণ রূপ দেখে অনেক কর্মীকেই চোখ মুছতে দেখা যায়। শরিফুলের পরিবারের অসহায়ত্ব আর অমিতের ভ্রাতৃত্ববোধ ওই মুহূর্তটিকে রাজনৈতিক সভার চেয়ে বেশি একটি শোকসভায় পরিণত করে।

কিছুক্ষণ নীরব থেকে নিজেকে সামলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “আমি রাজনীতি করতে চাই শরিফুলের মতো নিবেদিতপ্রাণ মানুষের জন্য। আমি তাদের মুখে হাসি ফোটাতে চাই যারা আমাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসেন। আপনাদের খেদমত করার জন্যই আমি নির্বাচনে এসেছি।”
বক্তব্যের শেষে তিনি প্রয়াত শরিফুলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রার্থনা করেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ