ডেস্ক রিপোর্ট: ভুলে ভরা ব্যানার দিয়ে কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ৪ দিনব্যাপী বই মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।
জানা যায়, প্রতিবারের ন্যায় এবারো মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চারদিন ব্যাপী বই মেলার আয়োজন করেছে পাঁজিয়া বইমেলা উদযাপন কমিটি।
শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিন বই মেলার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সভাপতিত্ব করেন নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান জসীম উদ্দীন।
মেলা উদ্বোধন উপলক্ষে স্টেজে একটি ব্যানার টাঙ্গানো হয়েছে। ওই ব্যানারে এস এম রুহুল আমিন ও জসীম উদ্দীন দুই জনের নামের পাশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লেখা হয়েছে। পদবী দুই রকম হলেও দুই জনকেই সভাপতি বানিয়ে দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের সদস্যপদ না থাকা ব্যক্তিকে আওয়ামী লীগের সভাপতি লিখে প্রচারের ঘটনায় হতবাক হয়েছেন ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতারা।
ব্যানারটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। এতে ব্যাপক সমালোচনা ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে সচেতন মহলে। কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে এত বড় ভুল হলো এনিয়ে জনমনে দেখা দেয় নানা প্রশ্ন।
উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আবু সাঈদ লাভলু বলেন, একুশ আমাদের চেতনা। একুশের ভাষা আন্দোলনের পথ ধরেই আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। সেই একুশের বই মেলার স্টলে ভুলে ভরা ব্যানার টাঙানো অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এটা মোটেও মেনে নেয়া যায় না।
সুশীল সমাজের অনেকেই জানান, এর দায় মেলার উদযাপন কমিটি এড়াতে পারে না।
পাঁজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, পাঁজিয়া ইউনিয়ন ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদে নাম নেই জসীম উদ্দীনের। বই মেলার ব্যানারে তাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বানিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা অত্যন্ত দু:খজনক ও নিন্দনীয়। পরিকল্পিতভাবে এরকমটা করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বৃহৎ সংগঠন এই সংগঠনকে কিছু অনুপ্রবেশকারীর কর্মকাণ্ডে সমালোচিত হতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে বই মেলার উদযাপন কমিটির আহবায়ক জাকির হোসেন লাল্টু বলেন, ভুলে ভরা ব্যানার টাঙানো হয়েছিলো। সেটা পরে সংশোধন করে পুনরায় টাঙ্গানো হয়েছে।
জাগোবাংলাদেশ/এমআই

