শাহানা আক্তার মামলায় উল্লেখ করেছেন, আসামিদের সাথে ইয়াসিনের বিরোধ ছিলো। আসামিরা ইয়াসিনকে হত্যার হুমকি দিতেন। ঘটনার দিন ১৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পরে ইয়াসিন বাসা থেকে বের হয়ে শংকরপুর ব্রাদার্স ক্লাবে যান। এসময় আসামিরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার ইয়াসিন আরাফাতকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
যশোরে যুবলীগ নেতা ইয়াসিন হত্যাকাণ্ডে থানায় ৮জনের নামে মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে যুবলীগ নেতা ইয়াসিন আরাফাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যশোরে কোতোয়ালি থানার ৮জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের স্ত্রী শাহানা আক্তার নিশা মামলাটি করেছেন।
মামলায় আসামি করা হয়েছে- যশোর শহরের শংকরপুর চোপদারপাড়ার তোরাব আলীর তিন ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান রানা ওরফে স্বর্ণকার রানা (৩৮), রুবেল হোসেন (৩৫) ও হাফিজুর রহমান (২৩), একই এলাকার রেজাউল ইসলামের ছেলে আব্দুল কাদের ওরফে শান্ত, শংকরপুর কবর স্থানের পাশে খবির আলী সিকদারের ছেলে জীবন সিকদার (৩৮), সৈয়দ আহম্মদের ছেলে শফিক (৩৭), আকবরের মোড় এলাকার ময়না (৩৮), আব্দুল লতিফের ছেলে বদিউজ্জামান ওরফে ধনি (৫৩) ও আকবর আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৫)। এছাড়া অজ্ঞাত আরো পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।
যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি তাজুল ইসলাম মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ইয়াসিন আরাফাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৮জনকে আসামি এবং কয়েক জনকে অজ্ঞাতনামা রেখে মামলা করেছেন ইয়াসিনের স্ত্রী শাহানা আক্তার নিশা। আসামিদের মধ্যে থেকে মোস্তাফিজুর রহমান রানা ওরফে স্বর্ণকার রানা (৩৮), রুবেল হোসেনকে (৩৫) আটক করা হয়েছে। বাকিদেরও দ্রুত আটক করা হবে।

