ডেস্ক রিপোর্ট: যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে চাকরি দেয়ার নামে ৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষার ভুয়া কার্ড দেয়ায় ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারি মনিরুজ্জামান মানিকের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়।
বুধবার বাঘারপাড়া উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামের আমির হোসেনের মেয়ে মুক্তা খাতুন বাদী হয়ে এই মামলা করেছেন। অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্র্টে আদালতের বিচারক মারুফ আহমেদ মামলাটি তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদক দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) আদেশ দিয়েছেন।
আসামি মনিরুজ্জামান মানিক রামকান্তপুর গ্রামের মৃত নায়েব আলী সিকদারের ছেলে। মামলার বিবরণে জানা গেছে, আসামি মনিরুজ্জামান মানিক যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কর্মরত আছেন। ২০১৯ সালের ২৮ আগস্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অফিস সহায়ক ও নিরাপত্তা প্রহরী পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। অফিস সহায়ক পদে মুক্তা খাতুন আবেদন করেন।
এরপর আসামি মানিক তার অফিসের কর্মকর্তা দিয়ে তাকে চাকরি পাইয়ে দেয়ার সকল ব্যবস্থা করবেন ৪ লাখ টাকা দাবি করেন। আসামি মানিক তার প্রতিবেশী চাচা হওয়ায় বিশ্বাস স্থাপন করে গত বছরে তিন কিস্তিতে মানিকের কাছে ৪ লাখ টাকা পরিশোধ করেন মুক্তা। ওই বছরের ২৯ অক্টোবর এই পদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তা লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হতে পারেনি। তারপরও আসামি মানিক ডেপুটি কালেক্টর রেভিনিউ হাফিজুল হক স্বাক্ষরিত একটি মৌখিক পরিক্ষার কার্ড মুক্তাকে দেন।
মুক্তা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন কার্ডটি ভুয়া। এরপর মানিককে দেয়া ৪ লাখ টাকা ফেরত চাইলে তিনি ঘুরাতে থাকেন। গত ৭ জানুয়ারি এলাকায় শালিস ডেকে মানিকের কাছে ৪ লাখ টাকা ফেরত চাইলে তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করেন। প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া মৌখিক পরীক্ষার কার্ড দিয়ে ৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তিনি আদালতে এই মামলা করেছেন।

