নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মহাসমাবেশে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.খ.ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ‘মুক্তিযোদ্ধারা শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযোদ্ধাদের মূখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। সব সময় মনে রাখতে হবে মুক্তিযোদ্ধাদের একমাত্র সরকার শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকলে সবাই ভাল থাকবেন। মুক্তিযোদ্ধাসহ দেশবাসীর ভাগ্যের পরির্বতন হবে। দেশ বিদ্যুতের গতিতে এগিয়ে যাবে। বাংলার মানুষ জাতি হিসেবে যোগ্য সম্মান পাবে। কেউ আর তলাবিহীন ঝুঁড়ি ও দুর্নীতিবাজ রাষ্ট্র বলতে পারবে না। যশোর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।’

জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে মন্ত্রী বলেন, অতি দ্রুতই অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি করার জন্য ১৫ লাখ করে টাকা দেয়া হবে। সব মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য স্মার্ট কার্ড তৈরি করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সব ধরণের সুবিধা পাবেন। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি চিহ্ন ধরে রাখার জন্য সব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। বৌদ্ধভূমি, গণকবর, হানাদারদের ধ্বংসলীলা চিত্র সংরক্ষণ করা হবে। মুজিবনগরকে আন্তর্জাতিক মানের করা হবে।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টচার্য, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খাজা মিয়া।
বক্তব্য রাখেন যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রাজেক আহমেদ, একেএম খয়রাত হোসেন, আলী হোসেন মনি, মুজিব বাহিনীর উপ-প্রধান রবিউল আলম ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনির।
এর আগে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.খ.ম মোজ্জাম্মেল হক স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টচার্য ও স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদকে সাথে নিয়ে যশোর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের ভবন ও শহীদ কর্ণেল নাজমুল হুদার (বীর বিক্রম) সড়ক উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, জেলা প্রশাসক তজিমুল ইসলাম খান, পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দ্দার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান মিন্টু, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুলসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

