রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুন থেকে ‘সৌহার্দ্য পরিবহনের’ একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর পদ্মায় তলিয়ে গেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে ঘটা এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় অন্তত ৪০ জন যাত্রী বাসের ভেতরেই সলিল সমাধিস্থ হয়েছেন বলে আশঙ্কা করছে ফায়ার সার্ভিস।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন জানান, প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী বাসের ভেতর বিপুল সংখ্যক যাত্রী আটকা পড়ে আছেন। এখন পর্যন্ত নদী থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতরা হলেন—রেহেনা বেগম (৬০) ও মর্জিনা বেগম (৫৫)। এছাড়া ডা. নুসরাত (২৯) নামে এক চিকিৎসককে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার কারণ: প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুষ্টিয়া থেকে আসা বাসটি ফেরিতে ওঠার জন্য পন্টুনে অপেক্ষমাণ ছিল। এ সময় একটি ফেরি পন্টুনে সজোরে ধাক্কা দিলে পন্টুনটি কেঁপে ওঠে এবং বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। ৪৫ থেকে ৫০ জন যাত্রীর মধ্যে মাত্র ৫-৭ জন সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও বাকিরা নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’র সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ বর্তমানে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে।
২. দ্রুত পড়ার জন্য বুলেট পয়েন্ট (Key Highlights)
ঘটনার সময়: বুধবার, ২৫ মার্চ, বিকেল ৫টা।
স্থান: দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাট, রাজবাড়ী।
বাসের নাম: সৌহার্দ্য পরিবহন (কুষ্টিয়া থেকে আসা)।
প্রাণহানি: ২ জনের মরদেহ উদ্ধার, অন্তত ৪০ জন নিখোঁজ/মৃতের আশঙ্কা।
উদ্ধার অভিযান: ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ কাজ করছে।
কারণ: ফেরির ধাক্কায় পন্টুন কেঁপে যাওয়ায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।
: দৌলতদিয়া ঘাটে পদ্মায় তলিয়ে গেল যাত্রীবাহী বাস! ৪০ জন যাত্রীর মরদেহ বাসের ভেতরেই আটকে থাকার আশঙ্কা করছে ফায়ার সার্ভিস। এখন পর্যন্ত দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে ‘হামজা’।”
বিকল্প খ:
“ফেরিতে ওঠার আগেই পদ্মায় সলিল সমাধি! দৌলতদিয়া ঘাটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিখোঁজ অর্ধশতাধিক যাত্রী। ফায়ার সার্ভিসের আশঙ্কা, পানির নিচে বাসের ভেতরেই আটকে আছেন অন্তত ৪০ জন। শোকাতুর স্বজনদের অপেক্ষায় নদীপাড়
দৌলতদিয়ায় ফেরিঘাটে পন্টুন থেকে বাস পদ্মায়; ৪০ যাত্রীর প্রাণহানির আশঙ্কা

