ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে যশোরে দেখা মেলেনি সূর্যের

আরো পড়ুন

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর মতো যশোরেও সারাদিনে একবারও দেখা মেলেনি সূর্যের। দিনভর ফিসফিসে বৃষ্টি এবং শৈত্য প্রবাহ এবং কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশের মধ্যে দিয়ে প্রতিকূল সময় পার করেছে যশোর জেলার মানুষ। শনিবার সকাল থেকে দেখা মেলেনি সূর্যের। আবার সারাদিন টিপ টিপ বৃষ্টিতে এ জেলার মানুষের বহিরাগত কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। দিনের শুরুতে এবং শেষের দিকে শীতের মাত্রাও ছিলো বেশি। তবে এমন আবহাওয়াকে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে কি না এমন দুশ্চিন্তায় ভুগছেন ছোট শিশুদের অভিভাবকরা। হঠাৎ এমন আবহাওয়া পরিবর্তন  হওয়ায় ছোট শিশুরা শীতকালীন ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে চিন্তিত অভিভাবকেরা।
গতকাল যশোর জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় সর্বোচ্চ ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে গত একদিন আগে জেলার তাপমাত্রা ছিলো সর্বোচ্চ ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে গতকাল এমন আবহাওয়া বিরাজ করছিলো গোটা জেলায়। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এটির নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ায় আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টি সরাসরি বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত না হানলেও উপকুলীয় বিভাগীয় জেলাগুলোতে সল্প থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়টি গতকাল দুপুর ১২টার পর চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ১ হাজার ৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৯৬৫ কিলোমিটার, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৮৫০ কিলোমিটার এবং পায়রা সুমদ্র বন্দর থেকে ৮৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরো উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ