যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের শ্রীচন্দ্রপুর গ্রামে নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে এই সংঘর্ষে জামায়াতের তিন কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
জামায়াত ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুপুরে শ্রীচন্দ্রপুর গ্রামে মহিলা জামায়াতের ১০-১২ জন কর্মী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে গেলে স্থানীয় বিএনপি কর্মীরা তাদের বাধা দেন এবং হেনস্থা করেন। খবর পেয়ে যুব জামায়াত ও শিবিরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
আহত শিবির কর্মী মুস্তাকিম হাসান অভিযোগ করেন, ঘটনার ছবি তোলার চেষ্টা করলে বিএনপি কর্মীরা তার ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে এবং এসএস পাইপ ও বাঁশ দিয়ে হামলা চালায়। এই হামলায় মুস্তাকিম ছাড়াও বায়জিদ ও যুব জামায়াত কর্মী জহিরুল ইসলাম আহত হন। তারা ঝিকরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিকেলে ঝিকরগাছা বাজারে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াত।
ল
হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের বিএনপি প্রার্থী সাবিরা সুলতানা মুন্নী টেলিফোনে জানান, মূলত জামায়াতের কর্মীরাই পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। তিনি দাবি করেন:> “জামায়াত কর্মীরা বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরে এসে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে। এখন তারা উল্টো আমাদের ওপর দোষ চাপিয়ে পাল্টা অভিযোগ দিচ্ছে।”
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান মোহাম্মদ শাহজালাল আলম বলেন:> “ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা বিস্তারিত খোঁজখবর নিচ্ছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।?

