নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে অর্থ জোগান দেওয়ার অভিযোগে মেজর সাদিকুল হকের স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনকে গুলশান থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ এই আবেদন মঞ্জুর করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোজাম্মেল হক মামুনের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, চলতি বছরের ২২ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান-১ এলাকায় ৩০-৩৫ জন নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যানারে বিক্ষোভ-মিছিল বের করে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চেষ্টা করেন। সেই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সুমাইয়া জাফরিনকে নির্দেশদাতা ও অর্থ জোগানদাতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।:
* সুমাইয়া জাফরিন নিষিদ্ধ সংগঠনের সক্রিয় সদস্য এবং তিনি ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করতেন।
* সারাদেশে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীদের সুসংগঠিত করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি করার অপচেষ্টায় তিনি লিপ্ত ছিলেন।
* তার স্বামী মেজর সাদিকুল হকের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, যার ফলে সেনাবাহিনীতে তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে কোর্ট-মার্শাল গঠন করা হয়েছে।
এর আগে, গত ৬ আগস্ট ভাটারা থানায় দায়ের করা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের গেরিলা প্রশিক্ষণের মামলায় সুমাইয়া জাফরিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে ১২ আগস্ট তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং এরপর থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন।
বুধবার রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমনের যুক্তির প্রেক্ষিতে আদালত তাকে নতুন এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।ৈ
নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মীদের অর্থায়ন ও উস্কানি: নতুন মামলায় গ্রেপ্তার মেজর সাদিকের স্ত্রী সুমাইয়া

