যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাবিরা সুলতানা মুন্নী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের পৃথক দুটি অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে জবাব দেওয়ার পর আদালত তাকে এই নিষ্কৃতি দেন।
এদিন দুপুরে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিচারক গোলাম রসুলের আদালতে হাজির হন সাবিরা সুলতানা মুন্নী। এর আগে গত মঙ্গলবার জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষ থেকে আনা অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। শুনানিতে মুন্নীর দাখিল করা লিখিত জবাব সন্তোষজনক ও যুক্তিযুক্ত প্রতীয়মান হওয়ায় আদালত তাকে অভিযোগের দায় থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষ থেকে সাবিরা সুলতানা মুন্নীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে নারী কর্মীদের ওপর হামলা এবং নির্বাচনী প্রচারণায় নির্ধারিত নীতিমালার বাইরে রঙিন পোস্টার ও ব্যানার ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছিল। মুন্নীর আইনজীবীরা আদালতে প্রমাণ করেন যে, এই অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
শুনানি শেষে মুন্নীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট দেবাশীষ দাস জানান, “আমরা আদালতের কাছে তথ্য-প্রমাণ দিয়ে বুঝিয়েছি যে সাবিরা সুলতানা মুন্নী কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করেননি। আদালত আমাদের বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয়ে তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন।”
আদালত প্রাঙ্গণে সাবিরা সুলতানা মুন্নী বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য প্রমাণিত হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি। এতে আমাদের নেতা-কর্মীদের মনোবল আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।”
জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, “বিএনপির গণজোয়ার দেখে ভীত হয়ে প্রতিপক্ষ মিথ্যা অভিযোগ তুলেছিল। আদালতের এই আদেশের মাধ্যমে সত্যের জয় হয়েছে।”
এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।।

