সন্ত্রাস ও পৃষ্ঠপোষকদের একইভাবে দেখবে ভারত, পাকিস্তানকে কঠোর হুঁশিয়ারি সেনাপ্রধানের

আরো পড়ুন

ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, ভারত সন্ত্রাসবাদী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের একই মানদণ্ডে বিবেচনা করবে এবং সন্ত্রাস মোকাবিলায় নয়াদিল্লির অবস্থান হবে অত্যন্ত কঠোর। তিনি পাকিস্তানকে উদ্দেশ করে সতর্ক করে দেন যে, সন্ত্রাসে মদদ দেওয়া অব্যাহত রাখলে তা তাদের জন্যেই বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেন, পাকিস্তান সীমান্ত থেকে সন্ত্রাসী তৎপরতা অব্যাহত থাকলে ভারত কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।
একসঙ্গে চলতে পারে না রক্ত ও পানি:
সেনাপ্রধান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমরা আগেই বলেছি, আলোচনা ও সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না; রক্ত ও পানি একসঙ্গে চলবে না। আমরা শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে ততক্ষণ পর্যন্ত সন্ত্রাসী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের একইভাবে বিবেচনা করা হবে।”
অপারেশন সিন্দুরকে ‘৮৮ ঘণ্টার ট্রেলার’ হিসেবে অভিহিত করে ভারতীয় সেনাপ্রধান বলেন, যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে সশস্ত্র বাহিনী ‘তাদের (পাকিস্তানকে) প্রতিবেশী দেশের সাথে কীভাবে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয় তা শেখাতে’ প্রস্তুত।
‘ভারত কোনো ব্ল্যাকমেইলে ভয় পায় না’
জেনারেল দ্বিবেদী উল্লেখ করেন, “ভারত উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে মনোযোগী। কেউ আমাদের পথে বাধা দিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।” তিনি পাকিস্তানের পারমাণবিক হুমকির প্রসঙ্গে টেনে বলেন, “আজকের ভারত কোনো ব্ল্যাকমেইলে ভয় পায় না।” তিনি আরও দাবি করেন যে, সন্ত্রাস মোকাবিলায় ভারতের ‘নিউ নরমাল’ এখন পাকিস্তানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি নিশ্চিত করেন, ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্ব দেশের প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়াতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, “আজকের সময় আমাদের প্রতিরোধশক্তি খুবই শক্তিশালী, কার্যকরও বটে।”
চীন ও কাশ্মীর প্রসঙ্গে মন্তব্য:
চীনকে ঘিরে উত্তেজনা প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান জানান, গত এক বছরে দুই দেশের নেতৃত্বের আলোচনার ফলে সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এছাড়া, জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ২০১৯ সালে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর সেখানে রাজনৈতিক স্পষ্টতা এসেছে এবং সন্ত্রাসবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। তিনি মণিপুরের উন্নতিশীল পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন।?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ