প্রিমিয়াম জমার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও টাকা ফেরত না পাওয়ায় ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মহাপরিচালকসহ চারজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা করা হয়েছে।
সোমবার (তারিখ: [যদি তারিখ জানা না থাকে, তাহলে বাদ দিন বা ‘আজ’ ব্যবহার করুন]) শহরের ষষ্টিতলা এলাকার বাসিন্দা, রেল কর্মকর্তা মোশারেফ হোসেন বাদী হয়ে এই মামলাটি করেন। বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লস্কর সোহেল রানা মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ডিবি’র ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।
যাদের বিরুদ্ধে মামলা:
মামলার আসামিরা হলেন—
১. ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মহাপরিচালক ফখরুল ইসলাম,
২. মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম,
৩. সিএফও রুহুল আমিন হাওলাদার, এবং
৪. কুষ্টিয়া সার্ভিস সেন্টারের ইনচার্জ জসিম উদ্দিন।
মামলার বিবরণ:
বাদী মোশারেফ হোসেন অভিযোগে জানান, তিনি আসামিদের কথায় বিশ্বাস করে ২০১৪ সালের ২৬ আগস্ট একটি ১০ বছর মেয়াদি বীমা পলিসি খোলেন। এই পলিসিতে প্রতি বছর ১১ হাজার ১৮০ টাকা করে জমা দেওয়ার শর্ত ছিল। ২০২৪ সালের ২৮ জুন পলিসির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তাঁর লভ্যাংশসহ মোট এক লাখ ৪০ হাজার ৬৮০ টাকা পাওয়ার কথা ছিল।
তিনি একাধিকবার বীমার টাকা ফেরত পেতে ওই কর্মকর্তাদের কাছে গিয়েছেন। কিন্তু কর্মকর্তারা তাঁকে ‘আজ না কাল’ বলে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। কোনো উপায় না দেখে অবশেষে বাধ্য হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।
যশোরে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মহাপরিচালকসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

