চৌগাছায় কমলা চাষে আমির হামজার সাফল্য

আরো পড়ুন

চৌগাছায় চায়না কমলার চাষ করে সফল হয়েছেন আমির হামজা মিলন। একসময় ফল বিক্রেতা ছিলেন তিনি, কিন্তু এখন দেড় বিঘা জমিতে চাষ করা কমলা থেকে প্রথম বছরেই আয় করেছেন ৫ লাখ টাকা। চলতি মৌসুমে তার লক্ষ্যমাত্রা ১০ লাখ টাকা, যা অর্জন করা সম্ভব বলে তিনি আশা করছেন।

আমির হামজার সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে স্থানীয় অনেকে চায়না কমলা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। প্রতিদিন তার বাগান দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন মানুষ। চৌগাছায় ধান, পাট, আখ, ভুট্টা, পেয়ারা, ড্রাগনের পাশাপাশি এবার চাষ হচ্ছে বিভিন্ন জাতের কমলা ও মাল্টা।

হাকিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আমির হামজা জানান, চার বছর আগে ভারত থেকে ৩০টি চায়না কমলার চারা সংগ্রহ করে দেড় বিঘা জমিতে ২৭০টি চারা রোপণ করেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরে ৫ লাখ টাকার লেবু বিক্রি করেছেন। এবার তিনি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে কমলা বিক্রি করছেন।

আমির হামজা বলেন, চায়না কমলার চাষ সহজ এবং লাভজনক। শুরুতে কিছু সার ও কীটনাশক প্রয়োজন হলেও ফল আসার পর তা অনেকটাই কমে যায়। নিয়ম মেনে চাষ করলে সফল হওয়া সম্ভব। তিনি বর্তমানে ৭ বিঘা জমিতে চায়না কমলার চাষ করছেন এবং নিজের বাগান থেকে চারা বিক্রি করেও লাভবান হচ্ছেন।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান বলেন, আমির হামজার বাগানটি একটি দৃষ্টান্ত। তার এই সাফল্য চৌগাছার অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হুসাইন জানান, চৌগাছার কৃষকরা ধান, পাট ছাড়াও ফল চাষে সাফল্য অর্জন করছেন, এবং কৃষি বিভাগ নতুন ফসল চাষে তাদের উৎসাহিত করছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ