২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বলিভিয়াকে ৫-১ গোলে হারায় ব্রাজিল। সেই ম্যাচে জোড়া গোল করে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে যান নেইমার।
বুধবার সকালে নাসিওনাল দেল পেরু স্টেডিয়ামে কোয়ালিফায়ারে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক পেরুর বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় পায় সেলেসাওরা। এই ম্যাচে গোল না পেলেও একটি রেকর্ডে শীর্ষে পৌঁছেন নেইমার।
প্রতিপক্ষের মাঠে গোটা ম্যাচে আধিপত্য দেখায় ব্রাজিল। ৬৩ শতাংশ বল দখলে রেখে ৯টি শটের ৩টি লক্ষ্যে রাখে সেলেসাওরা। বিপরীতে ৩৭ শতাংশ বল দখলে রাখা পেরু ৬টি শট নিয়ে টার্গেটে রাখতে পারেনি একটিও। দাপট দেখালেও ব্রাজিলের একেকটি আক্রমণ বারবার পরাস্ত হচ্ছিল পেরুর রক্ষণে। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন মার্কিনহোস। পাস দিয়েছিলেন নেইমার।
আর এতেই রেকর্ড হয় ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারের। দক্ষিণ আমেরিকা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ‘অ্যাসিস্ট’ এর রেকর্ড এখন নেইমারের। ফুটবলের পরিসংখ্যানভিত্তিক টুইটার অ্যাকাউন্ট ‘মিস্টারচিপ’ লিখেছে, দক্ষিণ আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাইয়ে এখন পর্যন্ত ১৮টি অ্যাসিস্ট করলেন নেইমার। আগের রেকর্ডটি যৌথভাবে নেইমার ও চিলিয়ান ফরোয়ার্ড অ্যালেক্সিজ সানচেজের ছিল, ১৭ অ্যাসিস্ট। প্রতিপক্ষের ট্যাকলে মাটিতে পড়ে গড়াগড়ির জন্য অনেক ট্রোলের শিকার হন নেইমার।
ব্রাজিলের কোচ ফার্নান্দো দিনিজের ভাষ্য, কড়াভাবে ফাউলের শিকার না হলে মাঠে পড়েন না নেইমার। দিনিজ বলেন, নেইমারকে প্রতিপক্ষের ফাউল করার প্রবণতা থাকে। তবে এটা মেনে নিচ্ছি যে, সে আজ কিছু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। তবে সে কিন্তু মাঠে পড়ে যায়নি আজকে। কারণ সে ফাউলের শিকার হয়নি।
ফুটবল পরিসংখ্যানবিষয়ক ওয়েবসাইট সোফাস্কোরের তথ্যমতে, পেরুর বিপক্ষে ৯০ মিনিট ম্যাচ খেলে ৩ বার ফাউলের শিকার হন নেইমার। একবার নিজেও করেন।
পেরুকে হারিয়ে লাতিন আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাই টেবিলে আর্জেন্টিনাকে টপকে শীর্ষে পৌঁছে ব্রাজিল। ২ ম্যাচে শতভাগ জয়ে দুই দলেরই সমান ৬ পয়েন্ট করে। গোল ব্যবধানে এগিয়ে সেলেসাওরা। ২ ম্যাচে ১ জয় ও ১ ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে কলম্বিয়া। চারে থাকা উরুগুয়ের পয়েন্ট ৩।

