জাতীয় সংসদের ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে ভোটের দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় গণমাধ্যমে ঢাকায় অবস্থিত ১৩টি দূতাবাসের বিবৃতির সমালোচনা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
তিনি বলেন, দূতাবাস কোনো ঘটনা ঘটলে মিডিয়াতে বিবৃতি দেয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দেয় না। এটা গ্রহণযোগ্য নয়।
বুধবার (১৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ সমালোচনা করেন।
এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনার তদন্ত হচ্ছে। যারা নির্বাচন চায় না তারাই এমন ঘটনা ঘটাচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখতে হবে।
হিরো আলমকে নিয়ে জাতিসংঘের বিবৃতি প্রসঙ্গেও কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন সময় নিরীহ মানুষের মৃত্যুতে জাতিসংঘ কখনো কোনো বিবৃতি দেয় না, এখন কেন দিচ্ছে?
প্রসঙ্গত, ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে ভোটের দিন (১৭ জুলাই) স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলমের ওপর হামলা হয়। এ নিয়ে ঘটনায় যৌথ বিবৃতি দিয়েছে ঢাকায় ১৩টি দূতাবাস। আজ বুধবার গণমাধ্যমে এই বিবৃতি পাঠানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ১৭ জুলাই ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী আশরাফুল আলমের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতার কোনো স্থান নেই। আমরা পূর্ণ তদন্ত ও দোষীদের জবাবদিহিতার দাবি জানাই। আসন্ন নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয় সেজন্য আমরা সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহবান জানাই।
যেসব দেশের দূতাবাস ও হাইকমিশন বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে সেগুলো হলো- কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ডেলিগেশন।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে।
পাঠকের মন্তব্য

