বিভিন্ন কাজে যারা ভারতে ভ্রমণে যেতে চান তাদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে। ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন থেকে পাসপোর্ট জমা না রেখেই দেশটিতে যাওয়ার ভিসার জন্য আবেদন করা যাবে। তবে ভিসা পাওয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে জমা দিতে হবে পাসপোর্ট।
ভিসা পদ্ধতির সরলীকরণ এবং আবেদনকারীদের অসুবিধা কমাতে নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার থেকেই নতুন নিয়মে ভিসার আবেদন নেয়া শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন। জানানো হয়েছে, নতুন নিয়ম অনুসারে, বাংলাদেশিরা এখন থেকে পাসপোর্ট জমা না রেখেই ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ভারতীয় ভিসা আবেদনপত্র কেন্দ্র (আইভ্যাক), বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ভিসা পাওয়ার জন্য অনেক নতুন এবং সহজ নিয়ম চালু করা হয়েছে। এই সংক্রান্ত নোটিশ এবং তথ্য দেয়া হয়েছে আইভ্যাক, বাংলাদেশের ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজেও। তাতে বলা হয়েছে, ভারতীয় ভিসা পদ্ধতিকে আরো সহজ করা, দীর্ঘ লাইনের কারণে ভিসা আবেদনকারী ব্যক্তিদের অসুবিধা কমানোর লক্ষ্য নিয়ে মঙ্গলবার থেকে নতুন কিছু ব্যবস্থা চালু করেছে আইভ্যাক-বাংলাদেশ।
নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, ভারতীয় হাইকমিশনে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণ চলাকালে অন্য কাজে ব্যবহারের জন্য যেসব আবেদনকারী নিজেদের পাসপোর্ট ফেরত পেতে চান, তাদের জন্য এখন থেকে এই সুযোগ থাকছে। আবেদনকারী চাইলে আইভ্যাকে ভিসা আবেদন জমা দেয়ার সময় তার পাসপোর্ট ফেরত নেয়ার সুবিধা গ্রহণ করতে পাবেন। সে ক্ষেত্রে ভিসা টোকেনে থাকা সম্ভাব্য সরবরাহ (ডেলিভারি) তারিখের সাত দিন আগে আবেদনকারীকে আইভ্যাকে তার পাসপোর্ট আবার জমা দিতে হবে।
ভিসার জন্য প্রসেসিং ফি অনলাইনে পরিশোধের সময় আবেদনকারীরা এখন থেকে আইভ্যাকে তাদের ভিসা আবেদন জমা দেয়ার সুনির্দিষ্ট সময় বা টাইম স্লট আগে থেকেই বেছে নিতে পারবেন। এই ব্যবস্থা ভিসা আবেদনকারীদের আবেদনপত্র জমা দেয়ার সময় আইভ্যাকে দীর্ঘসময় অপেক্ষা করে থাকতে হবে না। আইভ্যাকের আশা, নতুন এই ব্যবস্থা এবং নিয়ম আবেদনকারী ব্যক্তিদের ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়াকে আরো সুবিধাজনক করে তুলবে।
প্রসঙ্গত, অনলাইনে সাধারণত ইন্ডিয়ান ট্যুরিস্ট ই-ভিসা, ইন্ডিয়ান বিজনেস ই-ভিসা, ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল ই-ভিসা এবং ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাটেন্ডেন্ট ই-ভিসার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। প্রয়োজনীয় নথি বা ডকুমেন্ট দিয়ে ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন করতে কোনো ভিসা ফি লাগবে না। তবে ভিসা প্রসেসিং ফি (ভিপিএফ) হিসেবে ৮২৫ টাকা দিতে হয়।

