মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

আরো পড়ুন

ঢাকার বাড্ডার ফরাজী হাসপাতাল থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন মাহমুদা হক বৃষ্টি (৩৩) ও সানজা মারওয়া (১০)। তাদের শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনায় হাসপাতাল থেকেই বৃষ্টির স্বামী সেলিমকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত ৩টার দিকে ফরাজী হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে বাড্ডা থানা পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পাঠানো হয় তাদের মরদেহ।

বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাদেক মিয়া জানান, রাতে খবর পেয়ে ফরাজী হাসপাতালে গিয়ে ওই মা-মেয়েকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মেরুল বাড্ডার বাসা থেকে ওই নারীর স্বামী ও স্বজনরা মা-মেয়েকে ওই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। বৃষ্টির পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ ও আমাদের সন্দেহ হলে ফরাজী হাসপাতাল থেকেই সেলিমকে আটক করা হয়। আর মা-মেয়ের মৃতদেহ ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। সেলিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

বৃষ্টির মামা সোহেল সিকদার জানান, তাদের বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টুঙ্গিবাড়ী উপজেলার চাষিরা গ্রামে। বর্তমানে পশ্চিম মেরুল বাড্ডা জামশেদ টাওয়ারের অষ্টম তলায় থাকতেন তারা।

সোহেল শিকদার বলেন, রাত আনুমানিক ২টার দিকে সেলিম আমাদের গ্রামের বাড়িতে ফোন করে খবর দেয় যে, বৃষ্টি এবং তার মেয়ে বিষ খেয়েছে, অবস্থা ভালো না। তখন গ্রাম থেকে ফোনে বিষয়টি আমাকে জানানো হয়। দ্রুত মেরুল বাড্ডার ওই বাসায় গিয়ে বৃষ্টিকে এক রুমে ও সানজাকে আরেক রুমে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। এসময় বাসায় একাই ছিলেন সেলিম। নয় মাসের ছোট ছেলে সারিনকে এক ভাড়াটিয়ার কোলে দেখতে পাই। তখন সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টি ও সানজাকে ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যাই।

সোহেল সিকদারের অভিযোগ, সেলিমের পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে এবং একাধিকবার অনেকগুলো মেয়েকে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করেছে। এসব বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। এর জের ধরেই সেলিম তাদের দুইজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করেছে। পুলিশ তাকে আটক করেছে। তাকে জিজ্ঞাসা করলে মুল রহস্য উদঘাটন হবে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ