যশোরেরর শার্শায় নাভারন ইউনিয়ন বিএনপির ওয়ার্ড কমিটির নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি, অস্বচ্ছতা, অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় নির্বাচন করে অনুমোদন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ডেলিগেট বা কাউন্সিলর কার্ড ইস্যুকারী জেলা প্রতিনিধি ও সদস্য এ্যাডঃ হাজী আনিচুর রহমান মুকুলের স্বাক্ষর ছারা ডেলিগেট কার্ড বিতরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ সকল অভিযোগ এনে রবিবার সকালে প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা নজরুল ইসলামসহ অনান্য নেতাকর্মীরা।
লিখিত বক্তব্যে নজরুল ইসলাম বলেন, গত পহেলা ডিসেম্বর নাভারণ ইউনিয়ন বিএনপির ৪, ৫, ৬, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড কমিটির নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি, অস্বচ্ছতা, অনিয়ম- অব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন ও অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আমরা মনে করি এ ধরণের একটি প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত নির্বাচন প্রহসন ও তামাশা বৈ কিছুনা। আমরা এ ধরণের নির্বাচনে হতবাক ও বিস্মিত। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সাথে কমিটি বাতিল পূর্বক পুনঃ নির্বাচনের জোর দাবী জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, আমরা গভীর হতাশা ও উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করলাম যে, যেখানে একটি নির্ভুল ভোটার তালিকা বা ডেলিগেট কার্ড, গোপন কক্ষে ভোটদান ও স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহারের মাধ্যমে। একটি অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করলাম যে, ডেলিগেট বা সম্মানিত ভোটাদের একটি কক্ষে প্রকাশ্যে মুখোমুখি কম দূরত্বে বসার ব্যবস্থা রেখে ভোটদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, আমরা হতবাক ও বিস্ময়ের সাথে আরো লক্ষ্য করলাম যে, ওয়ার্ড সম্মেলন- ২০২২ ডেলিগেট বা কাউন্সিলর কার্ড ইস্যুকারী জেলা প্রতিনিধি ও সদস্য এ্যাডঃ হাজী আনিচুর রহমান মুকুল এর স্বাক্ষর নাই। যেখানে ৭টি ওয়ার্ডের মোট ভোটার ৪,১১৪ জন, অবশিষ্ট ২টি ওয়ার্ডবাদে সেখানে মোট ভোটারের চেয়ে ডেলিগেট বা ভোটার কার্ড প্রায় দ্বিগুন যা হাস্যকর ও তামাশা ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। এ সময় তারা, নির্বাচন পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর বিহীন ডেলিগেট কার্ডের মাধ্যমে পছন্দের প্রার্থীকে ভোটদান করেন কিভাবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একই সাথে কমিটি বাতিল পূর্বক পুনঃ নির্বাচনের জোর দাবি জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

