জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি জমি আত্মসাৎ করার অভিযোগে দায়ের করা দুইটি মামলায় সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক (ডিসি) কার্যালয়ের আট কর্মচারিসহ ১১ জনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
একই সাথে প্রত্যেককে জরিমানা করা হয়েছে ১০ হাজার টাকা করে।
রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক ড. ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর আদালতে হাজির থাকা সকল আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী অ্যাড. মজিবর রহমান তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভূমি শাখার উচ্চমান সহকারী রেকর্ড কিপার পুতুল রানী বৈরাগি, অফিস সহকারী (রেকর্ড রুম) শ্যামল কুমার আচার্য, মুদ্রাক্ষরিক বেগম জেসমিন নাহার, সার্টিফিকেট অফিসার (রেকর্ড রুম) সামছুজ্জামান, অফিস সহকারী আফসার উদ্দিন, আ. মজিদ সরদার, ওয়াজেদ সরদার ও মোহাম্মাদ আলী সরদার।
এর মধ্যে মধ্যে আ. মজিদ সরদার পলাতক রয়েছেন।
আইনজীবী মজিবর রহমান বলেন, সাতক্ষীরা শ্যামনগরে সরকারি খাস জমি জালিয়াতির অভিযোগে ২০১৭ সালে তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১০৯, ৪০৯ ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি দমন আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করেন সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তফা আব্দুল হালিম। পরে তদন্ত কর্মকর্তা দুদক, খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক এবিএম আব্দুস সবুর আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এদিকে একই দিন সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের আলাদা মামলায় (১১/১৭) আসামী শামীমা আক্তার, শ্যামল কুমার আচার্য, জেসমিন নাহার, সেলিমা সুলতানা, আফসার উদ্দিন ও হোসেন আলীকে ৭ বছর করে কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামিদেরও কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

