যশোরে এক কিশোরী (১৭) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের বড় নিজামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় জড়িত আরো তিনজন পলাতক রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের বড় নিজামপুর গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী শাহাজাহান মল্লিকের ছেলে হাসান আলী (২০) ও একই গ্রামের রিজাউল করিমের ছেলে মাসুদ (২০)। পলাতকরা হলেন, একই ইউনিয়নের কন্দপপুর গ্রামের ফটিকের ছেলে সাকিব (২৮), জাহানের ছেলে নাসিম হোসেন (২৮) ও মিজান চৌকিদারে ছেলে নুরুজ্জামান (২৭)।
ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় বাড়ি ফাঁকা ছিলো। এ সুযোগে বুধবার রাত ১১টার দিকে হাসান আলী তার বন্ধু মাসুদকে নিয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রীর ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করে। এ সময় সাকিব, নাসিম ও নুরুজ্জামান মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে। একপর্যায়ে হাসান ও মাসুদকে মারধর করে আটকে রেখে ওই তিনজন ছাত্রীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। এ সময় স্থানীয়রা আটক হাসান আলী ও মাসুদকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার পর অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীকে পুলিশ প্রহরায় পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরীক্ষার পর তার জবানবন্দির জন্য যশোর আদালতে ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে পলাতক তিনজনকে গ্রেফতার অভিযান চলছে।

