তাইওয়ানকে রক্ষা করবে যুক্তরাষ্ট্র

আরো পড়ুন

চীন আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে রক্ষা করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

সিবিএস চ্যানেলে দেয়া সাক্ষাত্কারে এ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে ‘হ্যাঁ’ বলেন তিনি। খবর বিবিসি।

গতকাল রবিবার আগে রেকর্ড করা সাক্ষাৎকারটি প্রচার হয়। যেখানে তাইওয়ান বিষয়ে মার্কিন নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি এমন আভাস দেয়া হয়। এ বিষয়ে সাধারণত ‘কৌশলগত অস্পষ্টতা’ জারি রাখে ওয়াশিংটন। তারা তাইওয়ানকে রক্ষার প্রতিশ্রুতি দেয় না, আবার বাতিলও করে না।

পূর্ব চীনের উপকূলের স্বশাসিত দ্বীপটিকে বেইজিং বরাবরই নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে। ওয়াশিংটন এক চীন নীতি মেনে চললেও এ ইস্যুতে কূটনৈতিক টানাপোড়েন চলছে দীর্ঘদিন।

এই নীতির অধীনে তাইওয়ান চীনের একটি অংশ এ অবস্থানকে চ্যালেঞ্জ করা হয় না। তবে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিলেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখে। দ্বীপটিকে আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্রও সরবরাহ করে।

সিবিএসে দেয়া ৬০ মিনিটের সাক্ষাত্কারে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন বাইডেন। তিনি বলেন, এক-চীন নীতি আছে এবং তাইওয়ানেরও স্বাধীনতার বিষয়ে নিজস্ব মতামত আছে। আমাদের তাদের স্বাধীন হতে উৎসাহিত করছি না। এটি তাদের সিদ্ধান্ত।

গত মে মাসসহ এক বছরে তৃতীয়বারের মতো তাইওয়ান আক্রান্ত হলে সামরিক হস্তক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিলেন বাইডেন। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস বলছে, প্রেসিডেন্ট এই বছরের শুরুর দিকেও একই কথা বলেছেন। তিনি তখনও স্পষ্ট করেছিলেন যে আমাদের তাইওয়ান নীতির পরিবর্তন হয়নি।

গত আগস্টে মার্কিন হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফর করলে চীন-মার্কিন উত্তেজনা তীব্র হয়। এর সপ্তাহ দু-একের মাথায় একদল মার্কিন আইনপ্রণেতা তাইপে সফর করেন। ন্যান্সির সফরের প্রতিক্রিয়ায় ওই সময় তাইওয়ান ঘিরে সামরিক মহড়ার আয়োজন করে বেইজিং।

এ দিকে চলতি মাসের শুরুতে তাইওয়ানের কাছে ১১০ কোটি ডলারের অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা বিক্রি করতে সম্মত হয় যু্ক্তরাষ্ট্র।

রবিবার প্রচার হওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনে রাসায়নিক বা কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করার জন্য রাশিয়াকে সতর্ক করেন বাইডেন।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ