ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের ঝিকরগাছায় বায়সা চাঁদপুর দাখিল মাদরাসার নিরাপত্তাকর্মী আরিফুল ইসলামকে ফাঁসাতে এক ছাত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কের গুজব ছড়ানো হয়েছে।
এঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও প্রমান পায়নি তাঁরা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) বায়সা বাজারের একটি ফ্লাটে মাদরাসার নিরাপত্তাকর্মী ও এক ছাত্রী অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছে এমন গুজব তোলা হয়।
অবশ্য অভিযুক্ত নিরাপত্তাকর্মী আরিফুল ইসলাম বলছেন, ‘ঘটনার কোনো ভিত্তি নেই। তথ্য-প্রমাণ নেই। যেই মেয়েকে ঘিরে আমার দিকে অভিযোগের তীর ছোড়া হচ্ছে সেই মেয়েও কোন অভিযোগও করেনি। আমি স্থানীয়ভাবে রাজনীতিতে জড়িত। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমাকে ফাঁসানোর জন্য এইসব গুজব ছড়িয়েছে।
যেই মেয়েকে নিয়ে মুল অভিযোগ সে ঘটনার কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছে। মেয়ের মা বলেন, আমার মেয়ে প্রাইভেট পড়তে গেছিলো। সেখান থেকে ফেরার পথে বায়সা বাজারে একটি আর্সেনিকমুক্ত কল থেকে পানি খেয়ে বাড়ি চলে আসে। আমরা ঘটনার কিছুই জানিনা। মেয়ে বাড়ি ফেরার পরে আরিফুলকে জড়িয়ে এসব মিথ্যাচার করছে একটি পক্ষ।
এই ঘটনায় মাদরাসার সহসুপারকে প্রধান করে এবং একজন অবিভাবক সদস্য ও একজন শিক্ষককে সদস্য করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে আরিফুলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের কোন প্রমান পায়নি তাঁরা।
তদন্ত কমিটির সদস্য ও অভিভাবক সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান, আমরা খোঁজ নিয়েছি এবং মেয়ের কাছেও জিজ্ঞাসা করেছি। এমন ঘটনার কোন প্রমান মেলেনি।
তদন্ত কমিটির প্রধান ও মাদরাসার সহ সুপার কবির হোসেন জানান, ঘটনার তদন্ত করা হয়েছে৷ মেয়ের কোন অভিযোগ নেই৷ কোন প্রমান পাওয়া যায়নি।
মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি শাহজাহান আলী জানান, নিরাপত্তাকর্মীর সাথে এক ছাত্রীর অনৈতিক সম্পর্কের গুঞ্জনে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পাশাপাশি ইউএনও মহোদয় এবং থানার ওসিও তদন্ত করেছেন৷ তবে মেয়েপক্ষ এবিষয়ে কোন অভিযোগ করেনি৷ ঘটনার কোন প্রমানও মেলেনি। মেয়ে এবং তার মা নিজে গিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে বলে এসেছে এই ঘটনার কোন ভিত্তি নেই।

