২০২৩ নয়, নির্বাচন হবে ২০২৪ সালে: খাদ্যমন্ত্রী

আরো পড়ুন

নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, জোড় সালে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ কখনো হারে না।

সাধন চন্দ্র মজুমদার খাদ্য মন্ত্রণালয় সামলাচ্ছেন। ২০০৯ সাল থেকে টানা তিন দফায় সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন গত সাড়ে তিন বছর ধরে। যদিও চালের দাম তিনি কতটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছেন তা বাজারে গেলে যে কেউ বুঝবে।

তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজনীতিবিদ সাধন চন্দ্র মজুমদার যখন মন্ত্রী হন তখন আলোচনা ছিল, তাঁর চাল ব্যবসার অভিজ্ঞতা আছে। ফলে চালের বাজার তিনি ভালো বুঝবেন, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। চালের দামের সঙ্গে নির্বাচনের ফলাফলের সম্পর্ক থাকার কথা বলে থাকেন অনেকে।

দেশের সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের তফসিল ও ভোটের তারিখ-দুটোই ঠিক করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সংবিধান অনুযায়ী, মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে এবং মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে।

তবে মন্ত্রী চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলেও নির্বাচন কখন করলে ফলাফল পক্ষে আসবে সে হিসাব ঠিকই বের করেছেন। গত শনিবার বিকেলে নওগাঁয় আওয়ামী লীগের এক সভায় তিনি বলেছেন, ‘জোড় সালে নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যায়। আর বিজোড় সালে নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগ হেরে যায়। অতীতের সব জোড় সালের নির্বাচনেই আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছে। সেই নীতি মেনে ২০২৩ নয়, নির্বাচন হবে ২০২৪ সালে।’

তিনি আরো বলেন, এই সরকারের আমলে যে উন্নয়ন হয়েছে, তার এক শতাংশও বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে হয়নি। মানুষ ভোট দিলে বিজয় না দিলে পরাজয়—এই সহজ হিসাবে না গিয়ে জোড়-বিজোড় সাল তাঁর কাছে কেন বড় হয়ে উঠল সেটি অবশ্য স্পষ্ট করেননি তিনি।

মন্ত্রী একই সঙ্গে নেতা-কর্মীদের মনে করিয়ে দিয়েছেন ১৯৭০, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জিতেছে। ফলে ২০২৩ সাল নয় ২০২৪ সালে ভোট করাই আওয়ামী লীগের জন্য ‘উপযুক্ত’ সময় হবে।

দেশের সংবিধান অনুযায়ী, নির্বাচনের তফসিল ও ভোটের তারিখ—দুটোই ঠিক করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সংবিধান অনুযায়ী, মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নব্বই দিনের মধ্যে এবং মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে।

সংসদের মেয়াদ হচ্ছে, নির্বাচিত সংসদের প্রথম বৈঠক থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর। সে হিসাবে বর্তমান সংসদের মেয়াদ আছে ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত। কিন্তু মন্ত্রী যেহেতু বলেছেন, বিজোড় সালে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে জিততে পারে না তাই নির্বাচন কমিশনের এখন দায়িত্ব হবে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে না করে ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারির মধ্যে করা। নির্বাচন কমিশন ভোটের তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বাধীন হলেও বিজোড় সালে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে না—এটিও মাথায় রাখা এখন তাদের বড় দায়িত্ব।

জাগো/ আরএইচএম

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ