যশোর সদর উপজেলার রূপদিয়া বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী দুই সহোদর সন্ত্রাসী হামলার শিকারের ঘটনায় বড়ভাই খন্দকার মাসুদের দৃষ্টিশক্তি হারাতে বসেছে। এ ঘটনায় আট জনের নাম উল্লেখপূর্বক যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের হলেও প্রধান আসামি জামিনে এসে প্রকাশ্য বিচরণে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে কাপড় ব্যবসায়ী খন্দকার মাসুদ ও তার পরিবারের সদস্যরা।
মাসুদ বরেন, গত ২০ মে রাতে আমরা দুইভাই রূপদিয়া বাজারে হিরোণ সুপার মার্কেটের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলাম পথিমধ্যে জিরাট এলাকায় পৌঁছালে আমার পূর্বের দোকান মালিক আদম ব্যবসায়ী গোলাম হোসেনের নেতৃত্বে চিহ্নিত সন্ত্রাসী সুমন, সোহেল রানা (রুটি সোহেল), মুন্না, মাসুদ, শহিদুলসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩ জন অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এতে আমি ও আমার ছোটভাই মারাত্বক যখম হয়। স্থানীয়রা আমাদের রক্তাত্ব যখম অবস্থায় যশোর সদর হাসপাতালে নেয়। এতে আমার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ওই দিন রাতেই ঢাকায় রেফার করে। সেখানে চিকিৎসা নিয়ে কয়েকদিন হলো বাড়ি এসে ক্ষত অবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ মত চলছি। এই সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার মাথা, কপাল ও বাম চোখে মারাত্বক আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় এখন বাম চোখে কিছুই দেখতে পারছি না।
আহত মাসুদের পিতা আব্দুর সাত্তার বলেন, সেদিনের ভয়াবহ হামলা থেকে আমার ছেলে প্রাণে বেচে গেলেও এখন সে এক প্রকার পঙ্গু ভাবে জীবনযাপন করছে। ডান পায়ে ভর করতে পারেন না আবার বাম চোখের আলো ও চিরতরে নিবে যেতে পারে বলে জানিয়েছে ডাক্তার। অসহায় এই পিতা পাওনা টাকা চাওয়ায় এমন ন্যক্করজনক ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

