ডেস্ক রিপোর্ট: কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ষণ ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন পলাতক আসামি সন্ত্রাসী রুহুল আমিনের (৪০) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার ফিলিপনগরের পিএসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিছনের মাঠ থেকে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় থাকা তার মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রুহুল ফিলিপনগর এলাকার মুন্তাজ সর্দারের ছেলে।
এলাকাবাসী জানায়, মাঠের মধ্যে উচু করে নতুন মাটি চাপা দেয়া দেখে পুলিশকে খবর দিলে, পুলিশ এসে মাটি সরিয়ে রুহুলের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত রুহুল আমিন এলাকার একজন চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী। তিনি পুলিশের ভয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলো। গত ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে রুহুলের সাথে কোনো যোগাযোগ করতে পারছিলো না তার পরিবার।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবীদ হাসান বলেন, স্থানীয়দের দেয়া খবরে আমরা ফিলিপনগরের ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় থাকা এক ব্যাক্তির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করি। এলাকাবাসী মরদেহটি এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী রুহুলের বলে শনাক্ত করেছে।
ওসি আরো বলেন, নিহত রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় ধর্ষণ ও অস্ত্রসহ চারটি মামলা রয়েছে। সে পুলিশের ভয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলো। কে বা কারা কি কারণে রুহুলকে নির্মমভাবে হত্যা করে মাটি চাপা দিয়েছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

