নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ক্ষমা করে দেয়া হয়, আর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা থেকে বিঞ্চিত করা হয়। এটিই দেশের চরম বাস্তবতা। গতকাল জেলা মহিলা দল আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে মৌন মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এখনো পর্যন্ত মুক্ত নন। যে কারণে তিনি স্বাধীনভাবে এবং তার ইচ্ছা অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে পারছেন না। সরকারের অনুমতি ছাড়া তার সাথে দলের মহাসচিব পর্যন্ত দেখা করতে পারেন না, শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নিতে পারেন না। তাহলে বেগম খালেদা জিয়া কেমন স্বাধীনতা এবং মুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন তা খুবই পরিস্কার। সমাবেশে জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী রাশিদা রহমানের সভাপতিত্বে অন্যান্যে নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের সিনিয়র সহ-সভানেত্রী হাসিনা ইউসুফ, নগর যুবদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আরিফ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল কুমার বিট, জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনেওয়াজ ইমরান, জেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদিকা নাহিদ আক্তার, নগর মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদিকা সাবিহা সুলতানা, সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদিকা মনোয়ারা মোস্তফা, সাংগঠনিক সম্পাদিকা হালিমা পারভিন, জেলা সহ-সভানেত্রী অ্যাড. মাহমুদা খানম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদিকা লুৎফুন্নাহার, দপ্তর সম্পাদিকা অ্যাড. মৌলুদা পারভিন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদিকা অ্যাড. শাহিনা খানম, আইন বিষয়ক সম্পাদিকা সাদেকা খাতুন, মহিলা দল নেত্রী ফারহানা ববি, নার্গিস বেগম, হামিদা বেগম, রাজিয়া সুলতানা, পাপিয়া, নাজমা বেগম প্রমুখ। সমাবেশ পরিচালনা করেন নগর মহিলা দলের সভানেত্রী শামসুন্নাহার পান্না। সমাবেশ শেষে মহিলা দল নেতৃবৃন্দ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগমকে সাথে নিয়ে মৌন মিছিল করেন। মিছিলটি দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

