মণিরামপুর প্রতিনিধি ॥ জেলা পরিষদ এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগের টানাপোড়নের কারণে ৩৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন যশোরের রাজারহাট-চুকনাগর মহাসড়কের ওপর (মণিরামপুর) গাছ অপসারণ করা হয়নি। মহাসড়কের ঝুঁকিপুর্ণ বাকে (মোড়) প্রায় মাঝ বরাবর বড় গাছ থাকায় যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যে কোন সময় দুর্ঘটনার আশংকা করছেন স্থানীয়রা।
সর্বমহলের দাবি অতিদ্রুত গাছ কেটে অপসারণ করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট অফিস সূত্র জানায়, রাজাহারহাট-মণিরামপুর-কেশবপুর-
স্থানীয় কাউন্সিলর আইয়ুব পাটোয়ারি বলেন, মহাসড়ক আগের চেয়ে চওড়া হচ্ছে। গাছগুলো মহাসড়কের প্রায় মাঝ বরাবর থাকায় দ্রুত গতি সম্পন্ন যানবাহন গাছের সাথে সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। তিনি দ্রুত গাছ অপসারণের দাবি করেছন।
মণিরামপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার প্রণব কুমার বিশ্বাস বলেন, শীতের কুয়াশায় গাছ দেখতে না পাওয়ায় চরম অসুবিধায় পড়তে হয়। তিনিও দ্রুত গাছ অপসারণের দাবি করেছেন।
বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে সড়ক ও জনপদ বিভাগের যশোর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, তারা গাছ অপসারণের জন্য একাধিকবার জেলা পরিষদকে অবহিত করেছেন। পরে পত্র দিয়েছেন। তারপরও গাছ অপসারণ করা হয়নি। বড় পকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতেই বাধ্য হয়ে গাছ অপসারন না করেই কাজ শুরু করতে হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ জাকির হাসান বলেন, ইতোমধ্যে জেলা সমন্বয় কমিটিতে গাছ অপসারণের বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল সাংবাদিকদের বলেন, সড়ক ও জনপদ বিভাগের পক্ষ থেকে চিঠি দিলেই টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গাছ অপসারণ করা হবে বলে তিনি জানান।

