যশোর জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক মুন্নাকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানিয়েছেন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। রোববার দুপুরে যশোরের লাল দীঘীরপাড় এলাকায় তার মরদেহ পৌঁছালে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম দলীয় পতাকা জড়িয়ে মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এ সময় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ফুলেল শ্রদ্ধা, দোয়া ও অশ্রুসিক্ত পরিবেশে তারা প্রিয় নেতাকে শেষ বিদায় জানান।রোববার জোহর নামাজের পর যশোরের চাঁচড়া ডালমিল মোড়ে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে চাঁচড়া রাজবাড়ি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এতে জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।এর আগে শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে চাঁচড়া ডালমিল এলাকার নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন তিনি।এহসানুল হক মুন্নার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং জেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ। তার মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়লে চাঁচিড়া ডালমিল এলাকায় তার বাড়িতে নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ঢল নামে।ছাএড়াও তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন জাগপা প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যশোর সদর আসনের ‘চশমা’ প্রতীকের প্রার্থী নিজামদ্দিন অমিত।
উল্লেখ্য, এহসানুল হক মুন্না ২০০২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত যশোর জেলা যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসী হামলায় তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। দীর্ঘ চিকিৎসার মাধ্যমে প্রাণে বেঁচে গেলেও তিনি স্থায়ীভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে স্ট্রোক করায় তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী ও সহকর্মী রেখে গেছেন।

