যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। ঘটনার মূল শুটার ত্রিদিব চক্রবর্তী মিশুককে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে আদালতে হাজির করা হলে তিনি হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
ডিবি পুলিশ জানায়, বুধবার সন্ধ্যায় শহরের বেজপাড়া মন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে ত্রিদিবকে আটক করা হয়। তিনি ওই এলাকার চিরুনি কল সংলগ্ন মালতী চক্রবর্তীর ছেলে।
ডিবির এসআই অলক কুমার দে (পিপিএম) জানান, ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রথমে ঘাতককে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে এই অভিযান চালানো হয়।
ল
আদালত সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলামের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে ত্রিদিব স্বীকার করেছেন যে, তিনি নিজেই আলমগীর হোসেনকে গুলি করেছিলেন। তবে এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ‘জামাই’ পরশ এবং তার সহযোগী সাগর। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি রাতে নিজ এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহী বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শামীমা বাদী হয়ে পরশ ও সাগরসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই ছায়া তদন্ত শুরু করে ডিবি পুলিশ।?
যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যা: প্রধান শুটার মিশুক গ্রেপ্তার

