যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হত্যা: অস্ত্র উদ্ধারে প্রশাসনের ব্যর্থতায় সাবুর তীব্র ক্ষোভ

আরো পড়ুন

যশোরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে প্রশাসনের প্রতি তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। রোববার (৪ জানুয়ারি) যশোর জেনারেল হাসপাতালে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।

এ সময় সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু অভিযোগ করেন যে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতছাড়া বা নিখোঁজ হয়েছিল, সেগুলো এখনো অপরাধীদের হাতে রয়ে গেছে। এই অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করেই সন্ত্রাসীরা প্রতিনিয়ত হত্যাকাণ্ড ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। অবিলম্বে এসব অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য তিনি প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানান।
আলমগীর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন:
> “একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি বন্ধে প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে জনমনে আতঙ্ক আরও বাড়বে।”
>
উল্লেখ্য, শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক সাতটার দিকে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন। এই খবর পেয়ে জেলা বিএনপির সভাপতিসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা হাসপাতালে ছুটে যান। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তিনি বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত ঘাতকদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ