মনিরামপুর ছাড়ার সময় এসি ও আসবাবপত্র নিয়ে গেলেন সাবেক ইউএনও!

আরো পড়ুন

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিশাত তামান্নার বিরুদ্ধে সরকারি বাংলো এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের দপ্তরের এসি ও আসবাবপত্র খুলে নিয়ে যাওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গত ২ ডিসেম্বর বদলিসূত্রে মনিরামপুর ত্যাগের সময় তিনি ব্যক্তিগতভাবে লোক ভাড়া করে এসব মালামাল সরিয়ে নেন বলে জানা গেছে।
নিশাত তামান্না বর্তমানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে কর্মরত।
দপ্তর ও বাংলো এখন এসি-শূন্য
সরেজমিনে তদন্তে দেখা গেছে, উপজেলা চেয়ারম্যানের দপ্তরে থাকা এসিটি বর্তমানে নেই। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বদলির আদেশ পাওয়ার পর নিশাত তামান্না প্রথমে চেয়ারম্যানের দপ্তরের এসিটি খুলে তার সরকারি বাংলোতে নিয়ে রাখেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে বাংলোর নিজস্ব এসি, সিলিং ফ্যান ও মূল্যবান আসবাবপত্রসহ দুই পিকআপ ভর্তি মালামাল সরিয়ে ফেলা হয়।
যা বলছেন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা
ইউএনও দপ্তরের নাজির শাহিন আলম জানান, নতুন ইউএনও যোগদানের পর মালামালের তালিকা করতে গিয়ে এই অসংগতি ধরা পড়ে। তিনি বলেন:
> “সাধারণত কর্মকর্তাদের বিদায়ের সময় আমরা মালামাল গুছিয়ে দিই। কিন্তু ম্যাডাম (নিশাত তামান্না) বাইরের লোক দিয়ে মালামাল খুলিয়েছেন। আনসার সদস্যদের মাধ্যমে জেনেছি, দুই পিকআপ মালামাল পিরোজপুরে তার নিজ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।”
>
চেয়ারম্যানের অফিস সহকারী তরুণ কান্তি হালদার বাপন জানান, ৫ আগস্টের পর অফিসের এসি ও টিভি সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। পরে অন্য একটি অফিস থেকে একটি ‘ওয়ার্লপুল’ ব্র্যান্ডের এসি এনে লাগানো হয়। সেই এসিটিও সাবেক ইউএনও লোক পাঠিয়ে খুলে নিয়েছেন।
মনিরামপুরের বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্রাট হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন:
> “আমি বাংলোতে যোগ দেওয়ার পর কোনো এসি পাইনি। এমনকি চেয়ারম্যানের কক্ষেও এসি নেই। সাবেক ইউএনও কিছু মালামাল নিয়ে গেছেন এবং কিছু রেখে গেছেন বলে শুনেছি। বাকি মালামাল নেওয়ার সময় বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”
এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাবেক ইউএনও নিশাত তামান্নার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ