মানবতাবিরোধী মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে

আরো পড়ুন

গত বছরের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আজ ষষ্ঠ দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আজ বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো: গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে বিচারিক প্যানেলে এই সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

এর আগে সোমবার পঞ্চম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত চলে। ওই দিন তিনজন সাক্ষী নিজেদের জবানবন্দি দিয়েছেন। সাক্ষীরা হলেন- শহীদ আস-সাবুরের বাবা মো: এনাব নাজেজ জাকি, শহীদ ইমাম হাসান তাইমের ভাই রবিউল আউয়াল এবং রাজশাহীর প্রত্যক্ষদর্শী জসিম উদ্দিন

জবানবন্দি শেষে সাক্ষীদের জেরা করেছেন শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো: আমির হোসেন। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলামপ্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম

এ মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও আসামি হিসেবে রয়েছেন, তবে তিনি নিজের দায় স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছেন।

এ পর্যন্ত মামলায় ১২ জন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন। গত ১৭ আগস্ট সাক্ষ্য দিয়েছেন চারজন: সবজি বিক্রেতা আবদুস সামাদ, মিজান মিয়া, শিক্ষার্থী নাঈম শিকদার এবং শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলের মা শাহীনা বেগম। ৬ আগস্ট সাক্ষ্য দেন প্রত্যক্ষদর্শী রিনা মুর্মুসাংবাদিক একেএম মঈনুল হক। ৪ আগস্ট জবানবন্দি দেন পঙ্গু শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল ইমরান এবং দিনমজুর চোখ হারানো পারভীন। ৩ আগস্ট প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন আন্দোলনে আহত খোকন চন্দ্র বর্মণ

গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে।

প্রসিকিউশন তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ এনেছে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ৮,৭৪৭ পৃষ্ঠার, যার মধ্যে তথ্যসূত্র ২,০১৮ পৃষ্ঠা, জব্দ তালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি ৪,০০৫ পৃষ্ঠা, এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ ২,৭২৪ পৃষ্ঠা। মামলায় ৮১ জন সাক্ষী রয়েছেন। গত ১২ মে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে এই অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ