ভারত থেকে চোরাই মোবাইল আমদানির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা আদালতে স্বীকার করেছেন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম। সোমবার (১৮ আগস্ট) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বর্ণালী রাণী তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
সাইফুল ইসলাম ঝিকরগাছার কুন্দিপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। নাভারণ পুরাতন বাজারে তার একটি ইলেকট্রনিক্সের দোকান রয়েছে। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি জানান, বৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় এক চোরাই মোবাইল চক্রের সদস্যের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর সেই চক্রটি পাসপোর্টধারী যাত্রীদের মাধ্যমে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন সাইফুলের কাছে পাঠাত। প্রায় তিন বছর ধরে তিনি এ অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
এর আগে গত শুক্রবার রাতে শার্শা ও ঝিকরগাছা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে সাইফুলের দোকানে তল্লাশি চালানো হলেও অজ্ঞাত কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি পুলিশ সুপারের নজরে আসার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব সাইফুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন এবং তাকে আটক করেন।
এ ঘটনায় ঝিকরগাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানান, সাইফুল দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় চোরাই মোবাইল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ডিবি পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে। তিনি আরও বলেন, থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে—কেন তারা অভিযান চালিয়ে মোবাইল উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েছেন, তা জানতে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো গাফিলতির প্রমাণ মিললে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

