শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদ গ্রেপ্তার

আরো পড়ুন

একটি বাড়ির মেসে বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ১৮ জন ছাত্র বসবাস করেন। তাঁদের কয়েকজন জানান, দুই মাস আগে পেছনের বাড়ির এক স্থানীয় ব্যক্তি এই বাড়ির নিচতলা ভাড়া নেন। ১২ থেকে ১৫ দিন আগে তিনি একজনকে অতিথি পরিচয়ে সেখানে রেখে যান। ছাত্রদের ভাষ্যমতে, নিচতলায় কী ঘটে বা কারা থাকেন, তা তাঁরা জানতেন না। শুধু একজনকে দিনে এক-দুবার খাবারের সময় বের হতে দেখেছেন।

আজ ভোর পাঁচটার কিছু পর হঠাৎ করে পাঁচ থেকে ছয়টি সেনাবাহিনীর গাড়ি, যার মধ্যে একটি ছিল কালো রঙের মাইক্রোবাস, বাড়ির সামনে এসে থামে। প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন সেনাসদস্য বাড়ির তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং দোতলা ও তিনতলায় ওঠেন। এরপর মেসের সব বাসিন্দাকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার দুটি নির্দিষ্ট কক্ষে রাখা হয়।

একজন সেনা কর্মকর্তা তাঁদের বলেন, ‘তোমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এখানে অভিযান চলছে।’ ছাত্ররা জানান, সেনা কর্মকর্তারা অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কথা বলছিলেন এবং জানতে চেয়েছিলেন, মেসে কোনো দাড়িওয়ালা ব্যক্তি থাকেন কি না।

প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে নিচতলায় তল্লাশি চলে। সকাল আটটার কিছু সময় পর কালো মাইক্রোবাসটি গেটের সামনে আসে। এরপর নিচতলা থেকে এক দাড়িওয়ালা ব্যক্তিকে হাতকড়া পরা ও মাথায় গামছা বাঁধা অবস্থায় গাড়িতে তোলা হয়। একইসঙ্গে আরেক যুবককেও কোমর ও শরীর দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়।

একজন ছাত্র কৌতূহলবশত জিজ্ঞেস করলে এক সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘এখন বিস্তারিত বললে ভয় পাবে। পরে মিডিয়ায় সব জানতে পারবে।’

আরো পড়ুন

সর্বশেষ