বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “আমরা নির্ভীক ও পক্ষপাতহীন রিপোর্টিংকে সম্মান করি—যদিও তা আমাদের রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে মিল না-ও খেতে পারে।” শনিবার (৩ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতা গণতন্ত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং সততা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে সংবাদমাধ্যম জনগণের সেবা করে।
পোস্টের সঙ্গে ২০০৯ সালের একটি ছবি সংযুক্ত করেন, যেখানে তারেক রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে একসঙ্গে দেখা যায়।
তারেক রহমান বলেন, “বিএনপি এমন একটি সাংবাদিকতার চর্চা থেকে অনুপ্রাণিত হয়, যা নৈতিকতা ও সততার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখে।”
তিনি আহ্বান জানান, বিশ্ব সংবাদমাধ্যম স্বাধীনতা দিবসে সবাইকে একত্রিত হয়ে সত্য প্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের নৈতিক অঙ্গীকার এবং তাদের সুরক্ষার পক্ষে সোচ্চার হওয়ার জন্য।
সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে এক কর্তৃত্ববাদী সরকারের সময় আমরা দেখেছি কিভাবে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা দমন করা হয়েছে। সেই সময় সাহসী সাংবাদিকরা দুর্নীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অর্থনৈতিক ব্যর্থতার মতো ইস্যুতে কথা বলেছিলেন, মূলধারার মিডিয়া ও সামাজিক মাধ্যমে তারা ছিলেন সক্রিয়।”
তারেক রহমান আরও বলেন, “গণতন্ত্র টেকসই করতে হলে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও সততা রক্ষা করতে হবে। আসুন, ভিন্নমত পাশে রেখে এমন বাংলাদেশ গড়ি, যেখানে সরকার নির্বাচিত ও জবাবদিহিমূলক হয়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মানবাধিকার এবং আইনের শাসন সুরক্ষিত থাকে—সাংবাদিকদের জন্যও।”

