যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও যশোর মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা ছয় মাস থেকে এক বছরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে গতকাল তিন ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন। এ সময় বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
কর্মবিরতির সময় ও প্রভাব
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা বন্ধ রাখেন। কর্মসূচিতে হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকরাও একাত্মতা প্রকাশ করায় রোগীদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
কেন এই আন্দোলন?
বিক্ষোভরত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জানান, দেশের বিভিন্ন জায়গায় মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট, প্যারামেডিকেল ও পল্লী চিকিৎসকরা স্বল্প মেয়াদী প্রশিক্ষণ নিয়ে ডাক্তার পরিচয়ে চিকিৎসা দিচ্ছেন। এতে অনেক রোগী ভুল চিকিৎসার শিকার হচ্ছেন। তারা এসব অযোগ্য চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
সমাবেশ ও কর্মসূচি
দুপুর ১২টায় ইন্টার্ন চিকিৎসক ইমান আল আজম আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে হাসপাতাল অডিটরিয়ামে সভা করেন। সেখান থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
আন্দোলনের সমাপ্তি
ডা. ইমান আল আজম জানান, এটি ছিল তাদের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ। কিছু মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও সহযোগী চিকিৎসক নিজেদের ডাক্তার লেখার সুযোগ চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালত সেই রিট খারিজ করে। তাই ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেন এবং দুপুর ২টার পর হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।

