প্রেমিকাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

আরো পড়ুন

প্রেমিকা আসমা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে প্রেমিক মারুফ হাসান বাধনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক মুহাম্মদ সামছুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার আগে কারাগারে আটক বাধনকে আদালতে হাজির করা হয়। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে বিচারক রায় পড়া শুরু করেন এবং ১টা ৫ মিনিটে রায় শেষ করেন। আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন এবং সাজা পরোয়ানা জারি করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

২০১৯ সালের ১৮ আগস্ট প্রেমিক বাধনের সঙ্গে আসমা আক্তার পঞ্চগড় থেকে পালিয়ে ঢাকায় আসেন। আবাসিক হোটেল না পেয়ে তারা কমলাপুর রেলস্টেশনে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে বাধন বলাকা ট্রেনের একটি পরিত্যক্ত বগিতে নিয়ে গিয়ে আসমাকে ধর্ষণ করেন। চিৎকার করলে ওড়না দিয়ে গলা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করেন তিনি।

পরদিন ১৯ আগস্ট সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ট্রেনের বগি পরিদর্শনের সময় রেলওয়ের কর্মীরা আসমার মরদেহ দেখতে পান। সঙ্গে থাকা ব্যাগের মধ্যে জন্ম সনদ পাওয়া গেলে পুলিশের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর চাচা রাজু আহমেদ বাদী হয়ে ঢাকার রেলওয়ে থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে বাধনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

২০১৯ সালের ২৩ আগস্ট পঞ্চগড় থেকে বাধনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর থেকেই তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ