জ্বালানি সংকটে বন্ধের মুখে পেট্রোল পাম্প: ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের হুঁশিয়ারি চাহিদা ও সরবরাহে ব্যাপক ঘাটতি

আরো পড়ুন

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। বিপণন কোম্পানিগুলো থেকে যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকরা তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। দীর্ঘ সময় বিরামহীন দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পাম্প কর্মীরাও শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন। পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকলে পাম্পগুলো সচল রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
নিরাপত্তাহীনতা ও বিশৃঙ্খলা
সংগঠনটির দাবি, জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন উপেক্ষা করছে। পাম্পগুলোতে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বিশৃঙ্খলা ও লুটতরাজের মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে তারা জানায়:
* ঈদের আগের দিন বড় মজুত থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলায় মুহূর্তেই তেল শেষ হয়ে যায়।
* অনেক মোটরসাইকেল চালক দিনে ১০ বারের বেশি তেল নিয়ে বাইরে চড়া দামে বিক্রি করছেন।
* গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে এসে জোরপূর্বক পাম্প খুলিয়ে তেল নেওয়ার ঘটনা ঘটছে।
* ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি সরবরাহ চলাকালীন লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
রেশনিং ও জরুরি সেবা বাধাগ্রস্ত
পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে, ঈদের আগের দিন রাতে অনেক পাম্পে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য ন্যূনতম ২০০ লিটার অকটেনও সংরক্ষিত রাখা সম্ভব হয়নি। জোর করে সেই তেলও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এছাড়া ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময় ট্যাংকারগুলো পথে লুট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
কঠোর আল্টিমেটাম
বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন স্পষ্ট জানিয়েছে যে, পাম্পগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি এবং দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে তাদের সামনে ব্যবসা বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই। নিরাপত্তা না পেলে ডিপো থেকে তেল সংগ্রহ (লিফটিং) বন্ধ রাখার হুমকিও দিয়েছে সংগঠনটি।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ