যশোর হাউজিং বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ

আরো পড়ুন

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যশোর হাউজিং কর্তৃপক্ষের সম্পত্তি বরাদ্দে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়মের তদন্ত ও আওয়ামী আমলের সকল বিতর্কিত বরাদ্দ বাতিলের দাবিতে সোমবার যশোর শহরে বিক্ষোভ করেছে উপশহর এলাকাবাসী। বিক্ষোভ শেষে তারা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।

সকালেই যশোর উপশহরের কয়েকশো নারী-পুরুষ মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জালিয়াতির মাধ্যমে কোটাভিত্তিক প্লট তৈরি করে দুর্নীতির মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হয়। হাউজিং কর্তৃপক্ষ সাজানো লটারি আয়োজন করে সরকারদলীয় ব্যক্তিদের কাছে প্লট বরাদ্দ দেয়, যেখানে বিপুল পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয়েছে।

এলাকাবাসীরা আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী মতাদর্শের মানুষের বাড়িঘর উচ্ছেদ করে সেই জায়গাগুলো দলীয় নেতাকর্মীদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়। এখনও হাউজিং কর্তৃপক্ষের মধ্যে আওয়ামী ঘরানার কর্মকর্তারা রয়েছেন, যাদের দ্রুত অপসারণ করা জরুরি

বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, একই পরিবারকে একাধিক প্লট বরাদ্দ, বরাদ্দপ্রাপ্তদের বৈষম্যমূলক আচরণ, এবং লটারির নামে পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে। তারা জানান, ৫৪টি প্লট বরাদ্দের কথা থাকলেও ৬৪টি প্লট ঘোষণা দেওয়া হয়, এবং ১৪টি প্লটের বরাদ্দ লটারির বাইরে রেখে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে দেওয়া হয়

মানববন্ধনে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে খায়রুল বাশার, মো. বাবু ও আবু সাঈদ আজাদ বক্তব্য রাখেন। সংহতি প্রকাশ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক রাশেদ খান ও যুগ্ম আহ্বায়ক জান্নাতুল ফোয়ারা অন্তরা বিক্ষোভে যোগ দেন।

রাশেদ খান বলেন, “যশোর হাউজিং বরাদ্দে আওয়ামী লীগ আমলে ভয়াবহ অনিয়ম হয়েছে। বহু মানুষ অধিকারবঞ্চিত হয়েছেন। আমরা ছাত্ররাও এই বৈষম্যের অবসান চাই। দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা না নিলে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবো।”

আরো পড়ুন

সর্বশেষ