যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারাগার থেকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে যশোরের একটি মামলায় তাকে আটক দেখিয়ে এই স্থানান্তর করা হয় বলে জানা গেছে। শহিদুল ইসলাম মিলন যশোর শহরের ঘোপ পিলুখান রোডের মৃত একেএম আবুল কাশেমের ছেলে। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শরিফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) জুয়েল ইমরান জানান, ২০২৩ সালের ৩ অক্টোবর রাতে ডিএমপি পুলিশ রাজধানীর গুলিস্তানের ফুলবাড়ি এলাকা থেকে শহিদুল ইসলাম মিলনকে আটক করে। তাকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, চাঁদাবাজি, মালামাল লুট এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে কয়েকটি মামলায় আটক দেখিয়ে ঢাকা কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। পরে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি যশোরে থাকা কয়েকটি মামলার নিষ্পত্তির জন্য এসআই সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শহিদুল ইসলাম মিলনকে ঢাকা থেকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে আসে।
যশোর কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানান, ২০২৩ সালের ২২ জুন যশোর বেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মরহুম অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল শহিদুল ইসলাম মিলনের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজি মামলা করেছিলেন। এছাড়া গত ২০ আগস্ট ঘর ভাংচুর, টাকা লুট ও হুমকির ঘটনায় দায়েরকরা আরেকটি মামলার আসামি মিলন। এই দুই মামলায় তাকে আটক দেখিয়ে যশোর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জাগো/মেহেদী

